Skip to content

Upcoming
Spain
0-0
Cape Verde
Source: ESPN

ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানালেন: ক্লপ

অনলাইন ডেস্ক :

ছোট ফাউলের জন্য বাঁশি বাজিয়ে ম্যাচের গতিতে বিঘ্ন ঘটানো হবে না, মৌসুম শুরুর আগে ক্লাবগুলোকে জানিয়েছিল প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ। সিদ্ধান্তটি একদমই পছন্দ হয়নি ইয়ুর্গেন ক্লপের। লিভারপুল কোচের মতে, এমন ফুটবল হবে ভয়ঙ্কর। থাকবে না ফুটবলারদের নিরাপত্তা। ফুটবলারদের চোট ঝুঁকি কমাতে মাঠে বেশ সতর্ক থাকতে হয় রেফারিদের। খেলোয়াড়দের সাবধান করে দেন তারা, কখনও দেখান হলুদ কিংবা লাল কার্ড। এই আসর থেকে প্রিমিয়ার লিগে রেফারিদের ছোট-খাটো ব্যাপারগুলো এড়িয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বার্নলির বিপক্ষে শনিবার ২-০ গোলে জিতলেও প্রতিপক্ষের কয়েকটি চ্যালেঞ্জে রেফারির সিদ্ধান্ত একদমই পছন্দ হয়নি ক্লপের। ম্যাচ শেষে বিটি স্পোর্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জার্মান এই কোচ জানান ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া। “যদি ওই ধরনের কিছু (মারামারি) পছন্দ হয়, তাহলে রেসলিং দেখুন।” দুই দলের এই ম্যাচে মোট ১৮টি ফাউলের বাঁশি বাজান রেফারি মাইক ডিন। যেখানে ১২টি ফাউলই করে বার্নলি। কিন্তু কোনো দলকেই হলুদ কার্ড দেখাননি রেফারি। বার্নলির অ্যাশলি বার্নস ও ক্রিস উডের চ্যালেঞ্জ ক্লপের চোখে ছিল মারাত্মক। আর এখানেই তিনি তুলে ধরেছেন সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের হতাশা। নিয়মের পরিবর্তন খেলার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে কিনা, এই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। “আমরা নিয়ামানুগ একটি লড়াইয়ের জন্য সব সময়ই প্রস্তুত এবং আজও ছিলাম। আপনারা অ্যাশলি বার্নস, ক্রিস উড, ভার্জিল ফন ডাইক ও জোয়েল মাতিপের চ্যালেঞ্জগুলো দেখেছেন। আমি শতভাগ নিশ্চিত নই, এই সিদ্ধান্তগুলোর মধ্য দিয়ে অফিসিয়ালস সঠিক পথে হাঁটছেন কিনা।” “মনে হচ্ছে, আমরা ১০ থেকে ১৫ বছর পিছিয়ে যাচ্ছি। নিয়মগুলো ওইরকমই মনে হয়েছে। কিন্তু এই পরিস্থিতি সমর্থন করতে পারবেন না। এখন বার্তাটি হচ্ছে, খেলাটিকে চলতে দেওয়া হোক, কিন্তু কেউই এর মানে ঠিক জানে না। আমরাও এমনই ফুটবল চাই, তবে এটা খুবই ভয়ঙ্কর।” ক্লপের মতে, ফুটবলারদের রক্ষার জন্য হলেও নিয়মে পরিবর্তন আনার বিষয়টি ভাবা উচিত কর্তৃপক্ষের। “আক্রমণাত্মক দলের জন্য এই সিদ্ধান্ত ভালো, ঠিক আছে। কিন্তু আমাদেরকে খেলোয়াড়দের রক্ষা করতে হবে। এটা এড়িয়ে যেতে পারি না আমরা। অনেক সময়ই আমরা গোল ছাড়াও দুর্দান্ত একটি ম্যাচ খেলে থাকি। এমন অনেক মুহূর্ত থাকে, আমাদের বেশ কঠিন লড়াই করতে হয়। আমরা জিতে যাই এবং কেউ চোট পায় না।”