Skip to content

Upcoming
Portugal
0-0
Congo DR
Source: ESPN

আবারো টেনিস থেকে বিরতিতে যাচ্ছেন ওসাকা

অনলাইন ডেস্ক :

ইউএস ওপেনের শিরোপা ধরে রাখার আশা শেষ হয়ে গেছে নাওমি ওসাকার। তৃতীয় রাউন্ডে হেরে যাওয়ার পর এই জাপানী বললেন, আপাতত টেনিস থেকে বিরতি নিচ্ছেন তিনি। বাংলাদেশ সময় শনিবার সকালের ম্যাচে সরাসরি সেটে জয়ের পথেই ছিলেন বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ের তিন নম্বর খেলোয়াড় ওসাকা। তবে তার ভুলের সুযোগ কাজে লাগিয়ে চমক দেখান কানাডার টিনএজার লায়লা ফার্নান্দেজ। জিতে যান ৫-৭, ৭-৬ (৭-২), ৬-৪ গেমে। পরে সংবাদ সম্মেলনে ২৩ বছর বয়সী ওসাকা জানান, আপাতত কিছুদিন তাকে দেখা যাবে না টেনিস কোর্টে। এর আগে মানসিক অবসাদের কারণে ওসাকা নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন এই বছরের ফরাসি ওপেন থেকে। তখন জানিয়েছিলেন, গত তিন বছর ধরেই মানসিক অবসাদের সঙ্গে লড়ছেন তিনি। এরপর অংশ নেননি উইলম্বডনেও। কোর্টে ফিরেছিলেন টোকিও অলিম্পিকস দিয়ে যেখানে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মশাল জ¦ালিয়েছিলেন তিনি। তবে ওসাকার পথচলা শেষ হয়েছিল তৃতীয় রাউন্ডেই, সরাসরি সেটে হেরে। লায়লার কাছে হারের পর কান্নাজড়িত কন্ঠে ২০১৮ সালে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতা এই তারকা জানান, যেই খেলাটাকে তিনি এত ভালোবাসেন সেখানে এখন তিনি আর মনের আনন্দটা পাচ্ছেন না। জানাও নেই তার কী করা উচিত। টেনিসে কবে ফিরবেন-সেটাও জানেন না তিনি। “মনে হচ্ছে এমন একটা অবস্থায় আছি, যেখানে আমি আসলে কী করতে চাই, সেটাই বের করার চেষ্টা করছি। আমি সত্যিই জানি না, কখন আবার পরের টেনিস ম্যাচটা খেলব। মনে হচ্ছে, আমি কিছু দিনের জন্য খেলাটি থেকে বিরতি নিতে যাচ্ছি।” “সাম্প্রতিক সময়েৃজিতলেও আমি সেই আনন্দটা অনুভব করি না। অনেকটা স্বস্তি পাওয়ার মতো অনুভূতি হয়। আবার হারলে খুব খারাপ লাগে। আমার মনে হয় না এটা স্বাভাবিক।” ম্যাচে ওসাকা প্রত্যাশা মতই এগিয়ে যাচ্ছিলেন জয়ের দিকে। প্রথম সেটে জয়ের পর দ্বিতীয় সেটে এগিয়ে ছিলেন ৬-৫ গেমে। কিন্তু বিপত্তি বাঁধে এরপরই। ফোরহ্যান্ড এরোর্সে পয়েন্ট হারান, সেট গড়ায় টাইব্রেকারে। মূলত ওসাকাকে সবাই ঠা-া মাথার মানুষ হিসেবেই চেনে; কিন্তু এদিন মেজাজ হারিয়ে র‌্যাকেট ছুঁড়ে মারেন তিনি। নিজের এই আচরণে দুঃখ প্রকাশ করে ওসাকা জানান, সম্প্রতি নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সংগ্রাম করতে হচ্ছে তাকে। “আমি সত্যিই নিশ্চিত নই কেন (র‌্যাকেট ছুড়ে মেরেছি)। সাধারণত আমি আমি চ্যালেঞ্জ পছন্দ করি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে কোনো কিছু পক্ষে না গেলে আমি খুব উদ্বিগ্ন বোধ করি। আমি একদম ছোট বাচ্চাদের মত আচরণ করেছি।”