Skip to content

LIVE 53'
Iraq
1-2
Norway
Source: ESPN

রংপুরে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর:

রংপুরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ভাষাশহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ২১শে ফেব্রুয়ারি প্রথম প্রহরে রংপুর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হাবিবুর রহমান পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর রংপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ মোস্তাফিজার রহমান পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, জেলাপ্রশাসক, পুলিশ সুপার, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, প্রেস ক্লার রংপুর বিভিন্ন সরকারি দপ্তর, রাজনৈতিক সংগঠন, সামাজিক সংগঠন, পেশাজীবী সংগঠন-সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে ভাষাশহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

আজ বুধবার (২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪) সকালে বাংলা ভাষার জন্য অকাতরে প্রাণ বিলিয়ে দেওয়া ভাষা-শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক র‌্যালির উদ্বোধন করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হাসিবুর রশীদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. সরিফা সালোয়া ডিনা ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মজিব উদ্দিন আহমদ। শোক র‌্যালিটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শহিদ মিনার চত্বরে এসে শেষ হয়। এরপর শহিদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হাসিবুর রশীদ, উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. সরিফা সালোয়া ডিনা ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মজিব উদ্দিন আহমদ।

এসময় বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগ, আবাসিক হল, ইনস্টিটিউট, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, তৃতীয় শ্রেণি কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশন, কর্মচারী ইউনিচারী ।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হাবিবুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, বাঙালি জাতির প্র্রথম আঘাত আসে মাতৃভাষার উপর। বিশ্বে ভাষার জন্য রক্ত দেওয়া একমাত্র জাতি বাঙালি। ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীনতা একই সূত্রে গাঁথা। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের মধ্যেই স্বাধীনতার বীজ নিহিত ছিল। এরপর ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ছয়দফা আন্দোলন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান ও ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন হয় এই দেশ। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে নতুন প্রজন্মকে ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে যেতে হবে। বিভাগীয় কমিশনার সর্বস্তরে বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহারের আহ্বান জানান।