Skip to content

LIVE 63'
Türkiye
0-1
Paraguay
Source: ESPN

২৪ বিদেশি চ্যানেল প্রচারে বাধা নেই: তথ্যমন্ত্রী

সোমবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সাথে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এসোসিয়েশন অভ টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (এটকো)’র প্রতিনিধিবৃন্দ বৈঠক করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

ক্লিনফিড দেয়া বিদেশি ২৪ চ্যানেল প্রচারে কোন বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘আমি গতকাল ১৭টি চ্যানেলের কথা বলেছিলাম। আসলে ১৭টি নয় ২৪টি দেশি চ্যানেল। ২৪টির বেশি চ্যানেল বাংলাদেশে ক্লিনফিড দেয়, সুতরাং এগুলো চালানোর ক্ষেত্রে কোন বাধা নেই। আকাশ ডিটিএইচ এগুলো চালাচ্ছে।’

সোমবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো)’ প্রতিনিধি মতবিনিময় শেষে তিনি এসব কথা বলে।

হাছান মাহমুদ বলেন, দেশের স্বার্থে আমরা যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে বাস্তবায়নের জন্য আমাদের অভিনন্দন জানিয়েছেন সেজন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানাই। বাংলাদেশের আকাশ উন্মুক্ত, সরকারের পক্ষ থেকে কোন চ্যানেল বন্ধ করতে বলা হয়নি। আমরা শুধু বলেছিলাম যে, বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী যা পৃথিবীর সব দেশেই আছে। যে আইন ইউরোপ, আমেরিকাসহ বহু দেশেই বলবৎ আছে। এমনকি নেপালের মতো দেশেও সেই আইন রয়েছে।

তিনি বলেন, বিদেশি চ্যানেলকে অবশ্যই বিজ্ঞাপনমুক্ত সম্প্রচার করতে হবে এবং সেটি ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, আমেরিকা সব জায়গায়ই মানা হয়। কিন্তু আমাদের দেশে মানা হচ্ছিল না।

তথ্যমন্ত্রী জানান, আইনটি মানার জন্য দুই বছর ধরে তাগাদা দেয়া হচ্ছিল। সকল পক্ষের সাথে দফায় দফায় বৈঠক করা হয়েছে। এক মাসের বেশি সময় আগে আমরা বৈঠক করে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত ছিল ১ অক্টোবর থেকে আমরা আইনটি কার্যকর করব। বৈঠকে টেলিভিশন ওনার্স এসোসিয়েশন, সম্প্রচার জার্নালিস্ট ফোরাম, ক্যাবল অপারেটর, ডিস্ট্রিবিউটররা ছিলেন। সেই সভায় সিদ্ধান্ত ছিল ১ অক্টোকর থেকে আইনটি কার্যকর করা হবে। সবার সাথে আলোচনা করেই, আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।

তিনি বলেন, ক্লিনফিড নিয়ে বিভ্রান্ত ছড়ানোর চেস্টা করা হয়েছে একটি মহল থেকে। আমি আশা করব তারা বিভ্রান্তি ছড়ানো থেকে বিরত থাকবে। সরকার আইন বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর। জনগণের স্বার্থে, মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির স্বার্থে, শিল্পী-কলাকৌশলী, সাংবাদিক সবার স্বার্থে এ আইন কার্যকর করেছি। সুতরাং সবার স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে কেউ অবস্থান নেবে সেটি কাম্য নয়। সর্বোপরি দেশের অবস্থান নিলে সেটি কাম্য নয়।

এর আগে অ্যাটকো’র সভাপতি অঞ্জন চৌধুরী, সহ সভাপতি মোজাম্মেল বাবু, ইকবাল সোবহান চৌধুরী ক্লিনফিড বাস্তবায়নের জন্য তথ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।