সাম্প্রতিক
স্টুডেন্ট ভিসায় পরিবার নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া ভারতে পলাতকরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন উপনির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ মৃত্যু, জুলাইয়ের তুলনায় প্রাণহানি বেড়েছে ইরানে মার্কিন হামলায় ‘যুদ্ধাপরাধের’ তথ্য পেল জাতিসংঘ, কাঠগড়ায় তেহরানও সর্বজনীন পেনশন স্কিমের মুনাফা সামান্য বাড়াল সরকার, মিলবে যেসব সুবিধা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক-আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত: সংসদীয় কমিটি পশ্চিমবঙ্গে ‘আসসালামু আলাইকুম’-‘ইনশাআল্লাহ’ বলার বিতর্কের মধ্যে নারী মুসলিম পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি গুলশান ও ধানমন্ডিসহ রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ
Skip to content

সিলেট টিটিসিতে ১৮ বছর ধরে একই পদে ইনস্ট্রাক্টর, অভিযোগ ঘিরে সমালোচনা

সিলেট অফিস:

সিলেট সরকারি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে (টিটিসি) টানা ১৮ বছর ধরে একই পদে কর্মরত রয়েছেন কম্পিউটার অপারেশন ইনস্ট্রাক্টর মো. ওমর ফারুক। বারবার বদলির আদেশ হলেও তিনি পদে বহাল থেকে গেছেন প্রভাবশালী মহলের আশীর্বাদে—এমন অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট অনেকেই।

জানা যায়, ২০০৮ সালের ১৭ নভেম্বর টিটিসিতে যোগদানের পর থেকে একদিনের জন্যও অন্যত্র বদলি হননি ওমর ফারুক। বরং ২০২২ সালে বদলির আদেশ হলেও, তা বাস্তবায়ন হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশ করে আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তিনি বদলি ঠেকাতে সক্ষম হয়েছেন।

স্থানীয় সূত্র বলছে, ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও প্রভাবশালী রাজনীতিকদের ছত্রছায়ায় থেকে তিনি দীর্ঘদিন ধরে টিটিসিতে আধিপত্য বজায় রেখে চলেছেন। শুধু তাই নয়, তার বিরুদ্ধে রয়েছে দুর্ব্যবহার, দুর্নীতি, সিলেটের স্থানীয় ভাষা ও সংস্কৃতি নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি অসদাচরণের অভিযোগ।

ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি সিলেট টিটিসির বর্তমান অধ্যক্ষ শেখ মোহাম্মদ নাহিদ নিয়াজের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত এবং দুজন মিলে প্রতিষ্ঠানজুড়ে একটি ‘সিন্ডিকেট’ চালাচ্ছেন। অভিযোগ উঠেছে, তাদের বিরোধিতা করলে শিক্ষক-কর্মচারীদের আইনি শাস্তির মুখে পড়তে হয়।

এছাড়া ওমর ফারুকের বিরুদ্ধে একাধিক বাণিজ্যিক লেনদেনে অংশগ্রহণ, বিশেষ করে ভারতের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে যৌথভাবে পাথর ব্যবসার অভিযোগও রয়েছে।

এ বিষয়ে টিটিসির অধ্যক্ষ শেখ মোহাম্মদ নাহিদ নিয়াজের সঙ্গে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। স্থানীয়রা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এ বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।