সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস/ ছবি সংগৃহীত

 

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সর্বশেষ নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ভারত ও বাংলাদেশ নিয়ে ওঠা কিছু স্পর্শকাতর প্রশ্নের সরাসরি জবাব দেননি দপ্তরের মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস। ঘটনাটি ঘটে ৮ জুলাই (মঙ্গলবার) অনুষ্ঠিত ব্রিফিংয়ে, যা মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটেও প্রকাশিত হয়েছে।

ব্রিফিংয়ের এক পর্যায়ে এক সাংবাদিক কোয়াড জোট ও বাংলাদেশের সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি উল্লেখ করেন, কোয়াড বৈঠকে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার নিয়ে বক্তব্য দিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন কোয়াডের অন্যান্য অংশীদার দেশগুলো তা বুঝবে।

প্রশ্নকর্তা বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বিশাল সীমানা রয়েছে। গত সপ্তাহে, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তবর্তীকালীন সরকারের এক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ব্যাগে বিমানবন্দরের চেকিংয়ে একটি বন্দুকের ম্যাগজিন পাওয়া গেছে।

এ সময় মুখপাত্র ব্রুস সাংবাদিককে থামানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু সাংবাদিক আরও বলেন, ইউনূস প্রশাসনের সময়েই এক হিন্দু উপাসনালয়ে হামলাসহ সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনা ঘটে।

এ বিষয়ের প্রতিক্রিয়ায় মুখপাত্র ট্যামি ব্রুস সরাসরি কোনও মন্তব্য না করে বলেন, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সম্পর্ক একটি জটিল কূটনৈতিক বিষয়, যা যুক্তরাষ্ট্র বোঝে ও গুরুত্ব দেয়। তিনি কোয়াড সংক্রান্ত বিষয়ে বিস্তারিত জানতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর একক বিবৃতি এবং কোয়াড অংশীদারদের যৌথ বিবৃতি পড়ার পরামর্শ দেন।

তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র শুধুমাত্র নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে থাকে, অন্য দেশগুলোর মতামত বা বক্তব্যের ব্যাখ্যা দেওয়া তাদের দায়িত্ব নয়।

এনএনবাংলা/আরএম