সাম্প্রতিক
‘তিন নম্বর জন ডান’, পরীমণির কোলে থাকা নবজাতক নিয়ে জল্পনা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, সিফাতের জামিন নামঞ্জুর বিরামপুর সীমান্তে পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ করলো বিজিবি-গ্রামবাসী ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি হরমুজের বাইরেও ‘নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল’ ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিল ইরান সাভারে এসআই আলতাফ হত্যা মামলায় মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার আরও ৪ ঢাকায় আজ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তার বদলি বিদেশ ভ্রমণ: ডলার এনডোর্সমেন্টে নতুন নির্দেশনা বৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সুযোগ ১০ হাজার বাংলাদেশির
Skip to content

‘মৈত্রী এক্সপ্রেস নিয়ে খুব শিগগিরই ভালো খবর দিতে পারব’: দীনেশ ত্রিবেদী

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে যাত্রীবাহী ট্রেন ‘মৈত্রী এক্সপ্রেস’ নিয়ে খুব শিগগিরই ভালো খবর পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ কথা জানান।

সাক্ষাৎ শেষে শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, রাজনৈতিক কথা আলাদা বিষয়। আজকে রাজনৈতিক কথাবার্তার মধ্যে ঢুকতে চাই না।

তিনি বলেন, আজ সাধারণ মানুষ নিয়ে কথা হয়েছে। সাধারণ মানুষ রেল যোগাযোগ চায়। মৈত্রী এক্সপ্রেস বন্ধ থাকলেও মালবহন বন্ধ থাকেনি, বরং প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর অর্থ বাণিজ্য চলছে। এই বাণিজ্য আরও কীভাবে এগিয়ে নেয়া যায় সেটি নিয়ে কথা হয়েছে। সড়ক, রেল ও জলপথ নিয়ে কথা হয়েছে।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ‘এখন আমরা বিমানে যাই, সেটা আলাদা বিষয়। কিন্তু সাধারণ মানুষ সড়ক ও রেলপথে যাতায়াত করে। আমি তো রেলমন্ত্রী ছিলাম। রেলমন্ত্রী মানেই সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা। একটা ট্রেন ছিল, যার নাম ছিল গরিব রথ। যারা একদম সাধারণ মানুষ, তারা রেলে যাতায়াত করেন।’

মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে খুব শিগগির আমরা একটা ভালো খবর দিতে পারব মৈত্রী এক্সপ্রেসের বিষয়ে। অনেক কিছু নিয়ে খবরের কাগজে দেখেছি। ওই দিক থেকে একটা শুভ খবর আসছে বলে মনে হচ্ছে। খুব শিগগিরই আসবে। যত দ্রুত সম্ভব চালুর চেষ্টা হচ্ছে।’

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, ‘যে কারণেই হোক, রেল চলাচল বন্ধ ছিল। কিন্তু ফ্রেট (মালবাহী ট্রেন) বন্ধ হয়নি। শুনলাম, ফ্রেট প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। এটা খুবই ভালো কথা। তার মানে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য চলছে। মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন, কোনো কোনো রুটে এখন ছয়-সাত ঘণ্টা সময় লাগে। কীভাবে তিন ঘণ্টা সময় কমানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা হচ্ছে।’

ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে আমার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয়গুলোর বিভিন্ন কাজ চলমান আছে। সেগুলোর অগ্রগতিরও প্রয়োজন রয়েছে। কীভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়, কীভাবে দুই দেশ আরও লাভবান হতে পারে এবং দুই দেশের স্বার্থ রক্ষা করে বাণিজ্য, যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কীভাবে সম্প্রসারিত করা যায়—এসব বিষয়ে তিনি খুব ইতিবাচক চিন্তা নিয়ে এসেছেন।’

মন্ত্রী জানান, বিশেষ করে যোগাযোগ খাতে ট্রেন, সড়ক ও স্থলবন্দর নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এসব খাতে বেশ কিছু কাজ চলমান রয়েছে। মালবাহী ট্রেন চলাচলের পাশাপাশি এর সক্ষমতাও বেড়েছে এবং পরিবহন সক্ষমতা আরও বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। একই সময়ে যাত্রীবাহী ট্রেন এই মুহূর্তে বন্ধ আছে। সেটি কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয়েও দুই পক্ষের মধ্যে কথা হয়েছে।’

কবে নাগাদ ট্রেন চলাচল শুরু হতে পারে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভারতের পক্ষ থেকে নিরাপত্তাজনিত কারণে এটি বন্ধ করা হয়েছে। তবে আবার কীভাবে চালু করা যায়, সে প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। এখন কীভাবে চালু করা যায়, সে বিষয়ে দুই রাষ্ট্রই ইতিবাচকভাবে ভাবছে।’

এনএনবাংলা/এফএস