সাম্প্রতিক
‘তিন নম্বর জন ডান’, পরীমণির কোলে থাকা নবজাতক নিয়ে জল্পনা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে কটূক্তি, সিফাতের জামিন নামঞ্জুর বিরামপুর সীমান্তে পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ করলো বিজিবি-গ্রামবাসী ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি হরমুজের বাইরেও ‘নিয়ন্ত্রিত অঞ্চল’ ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিল ইরান সাভারে এসআই আলতাফ হত্যা মামলায় মূলহোতাসহ গ্রেপ্তার আরও ৪ ঢাকায় আজ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তার বদলি বিদেশ ভ্রমণ: ডলার এনডোর্সমেন্টে নতুন নির্দেশনা বৈধ পথে ইতালি যাওয়ার সুযোগ ১০ হাজার বাংলাদেশির
Skip to content

বাংলাদেশে বন্ধ হচ্ছে এমআরপি, পুরোপুরি চালু হচ্ছে ই-পাসপোর্ট

ছবি: সংগৃহীত

উন্নত বিশ্বের মতো মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের পরিবর্তে পুরোপুরি ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট চালু প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে বাংলাদেশ। বিদেশের বাংলাদেশ মিশনগুলোয় পাসপোর্ট সেবাগ্রহীতাদের প্রায় ৯৯ শতাংশই এখন ই-পাসপোর্ট নিচ্ছেন।

বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোতে পাসপোর্ট সেবাগ্রহীতাদের প্রায় ৯৯ শতাংশই এখন ই-পাসপোর্ট নিচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব মিশন থেকে এমআরপি সেবা গুটিয়ে শতভাগ ই-পাসপোর্ট চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

আর যে কেউ এখন ঘরে বসেই ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-পাসপোর্টের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারছেন।

ই-পাসপোর্ট সেবা পুরোপুরি চালু হওয়া মিশনগুলোতে এমআরপি ইস্যু বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বিদেশের সব মিশন থেকে এমআরপি সেবা বন্ধ করা হবে।

গত ২৩ মে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে বিদেশের বাংলাদেশ মিশনগুলোতে এমআরপি, ই-পাসপোর্ট ও নাগরিকসেবার মানোন্নয়ন নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় দেশের ৭১টি পাসপোর্ট অফিস ও বিদেশের ৭১টি মিশনে ই-পাসপোর্ট চালুর অগ্রগতি তুলে ধরেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।

সভা শেষে এমআরপি সুবিধা পুরোপুরি বন্ধের নীতিগত সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সভায় বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নূরুল আনোয়ার জানান, বিদেশের বাংলাদেশ মিশনগুলোতে ই-পাসপোর্ট এনরোলমেন্ট ৯৯ শতাংশে পৌঁছেছে। ২০১৮ সালে এমআরপি প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও পুরনো যন্ত্রপাতি সচল রাখা ও মেরামত করা ব্যয়বহুল ও জটিল হয়ে পড়েছে। তাঁর মতে, এখন আর এমআরপি ব্যবস্থা চালু রাখার প্রয়োজন নেই।

পাসপোর্ট অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক লাখ সাত হাজার একটি ই-পাসপোর্টের বিপরীতে মাত্র একটি এমআরপি ইস্যু হয়েছে। সেটিও বিদেশের একটি কনস্যুলেট থেকে। ফলে এমআরপির চাহিদা এখন প্রায় নেই বললেই চলে।

দেশে ২০২০ সালে ই-পাসপোর্ট চালু হলেও বিদেশে থাকা প্রবাসীদের একটি বড় অংশ এত দিন এমআরপির ওপর নির্ভরশীল ছিলেন। বিশেষ করে অনেক প্রবাসীর এনআইডি না থাকা এবং জন্মনিবন্ধন ও এনআইডির তথ্যে অমিলের কারণে হঠাৎ এমআরপি বন্ধ করলে ভিসা ও আকামার বৈধতা নিয়ে জটিলতার আশঙ্কা ছিল।

এ কারণে প্রবাসীদের সুবিধার্থে এত দিন এমআরপি সেবা চালু রাখা হয়।

এনএনবাংলা/এফএস