সাম্প্রতিক
বিএনপি চাঁদাবাজ দল—এটা ‘ঢালাও’ অভিযোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ ৫৩৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান-শায়ানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ভারতের উত্তর প্রদেশে ভারি বৃষ্টিতে ৫৬ মৃ’ত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারের বেশি বাড়িঘর সংবিধান সংশোধনে আবারও গণভোট হবে: বিশেষ কমিটি ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুলের সঙ্গে আ’লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীদের যাতায়াত সুবিধায় সড়কে নামছে আরও ১০০ পিংক বাস আগামী দুই মাসে জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরের প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে ৮ মাসে ৭২৩ চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তে প্রমাণ মিলেছে ৮৫ শতাংশের
Skip to content

বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক হারুন আর নেই

একুশে এবং স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ‘বোস অধ্যাপক’ ড. এ এম হারুন অর রশিদ মারা গেছেন।

শনিবার (৯ অক্টোবর) বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতা নিয়ে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার হয়েছিলো ৮৮ বছর। তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়ে রেখে গেছেন।

অধ্যাপক হারুন অর রশিদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবিবার (১০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক শোক বার্তায় তিনি বলেন, ‘অধ্যাপক হারুন অর রশিদ শুধু একজন পদার্থবিজ্ঞানীই নন, বিজ্ঞান গবেষণায় একজন নিবেদিত প্রাণ। নিয়মিত গবেষণার পাশাপাশি তিনি পদার্থ বিজ্ঞান শিক্ষায় বিশেষ করে বাংলা ভাষায় পদার্থ বিজ্ঞান শিক্ষায় এক অনবদ্য ভূমিকা রেখেছেন। তার মৃত্যু দেশের বিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে একটি বিরাট শূন্যতা সৃষ্টি করেছে।’

প্রধানমন্ত্রী মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ড. হারুন অর রশিদের জন্ম ১৯৩৩ সালে বরিশালে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৫৩ সালে বিএসসি ও ১৯৫৪ সালে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। এরপর ১৯৬০ সালে ইউনিভার্সিটি অব গ্লাসগো থেকে তার পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

১৯৭২ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক হিসাবে যোগদান করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বীয় পদার্বিজ্ঞান বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি।

তিনি ১৯৯১ সালে একুশে পদক এবং ১৯৯৯ সালে স্বাধীনতা পদক পান। ১৯৯৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ‘বোস অধ্যাপক’ হিসাবে মনোনীত হন।

–ইউএনবি