সাম্প্রতিক
বিএনপি চাঁদাবাজ দল—এটা ‘ঢালাও’ অভিযোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ ৫৩৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান-শায়ানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ভারতের উত্তর প্রদেশে ভারি বৃষ্টিতে ৫৬ মৃ’ত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারের বেশি বাড়িঘর সংবিধান সংশোধনে আবারও গণভোট হবে: বিশেষ কমিটি ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুলের সঙ্গে আ’লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীদের যাতায়াত সুবিধায় সড়কে নামছে আরও ১০০ পিংক বাস আগামী দুই মাসে জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরের প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে ৮ মাসে ৭২৩ চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তে প্রমাণ মিলেছে ৮৫ শতাংশের
Skip to content

বাংলাদেশে চামড়া শিল্পে বিনিয়োগে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড

রোববার শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সাথে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড সাক্ষাৎ করেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশে চামড়া শিল্পখাতে সুইজারল্যান্ডের উদ্যোক্তারা বিনিয়োগে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইস রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ড। রোববার (১০ অক্টোবর) সকালে শিল্প মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর অফিস কক্ষে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত শিল্পমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসে সুইস উদ্যোক্তাদের চামড়া শিল্প নিয়ে কাজ করার এ আগ্রহের কথা জানান। সুইজারল্যান্ডের উদ্যোক্তাদের আগ্রহকে সাধুবাদ জানান শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন। এ সময় শিল্পসচিব জাকিয়া সুলতানা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সুইস রাষ্ট্রদূত সুইজারল্যান্ডের জুরিখভিত্তিক একটি ট্যানারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চিঠি মন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন এবং নিজে সাভারের ট্যানারি শিল্পনগরী পরিদর্শনের আগ্রহ প্রকাশ করেন। শিল্পমন্ত্রী সুইস রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সাভারের ট্যানারি শিল্পনগরীতে কেন্দ্রীয়ভাবে সেন্ট্রাল ইফ্লুয়েন্ট ট্রিটমেন্ট প্লান্ট (সিইটিপি) বাস্তবায়ন হচ্ছে এবং এ-সংক্রান্ত সমস্যাসমূহ সমাধানের চেষ্টা চলছে। এ ব্যাপারে তাদের যে কোনো ধরনের সহযোগিতা নেওয়া হবে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে সুইজারল্যান্ডের সঙ্গে সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে শিল্পমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মানবিক উন্নয়নখাতে সুইজারল্যান্ড অব্যাহতভাবে সহযোগিতা দিচ্ছে। এ ছাড়া রসায়ন, ওষুধ, অবকাঠামো, কারিগরি সেবা এবং ভোগ্যপণ্য খাতেও সুইস বিনিয়োগ উল্লেখযোগ্য। তিনি এসব খাতে সুইস উদ্যোক্তাদের আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানান। সাক্ষাৎকালে উভয়ে মেধাসম্পদ সুরক্ষায় নতুন নতুন উদ্ভাবনের পেটেন্ট, ডিজাইন, পণ্য ও সেবার ট্রেডমার্কস্ এবং ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) ইস্যুতে একযোগে কাজ করার ব্যাপারে সম্মত হন। এ বিষয়ে বাংলাদেশের কী ধরনের সহযোগিতা দরকার, সুইস রাষ্ট্রদূত তা জানানোর অনুরোধ জানান। বিপরীতে বাংলাদেশের বস্ত্র ও পোশাকখাতে আমদানি বাড়ানোর জন্য সুইস রাষ্ট্রদূতের প্রতি আহ্বান জানান শিল্পমন্ত্রী। বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ এক দশকে প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। যা আরও বৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে। সুইস ফেডারেল কাস্টমস্ প্রশাসনের হিসাবে, ২০২০ সালে দু’দেশের মধ্যে প্রায় ৮১ কোটি ফ্রাঙ্ক সমমূল্যের পণ্য লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ রফতানি করেছে ৬৮ কোটি সুইস ফ্রাঙ্ক এবং বাংলাদেশ আমদানি করেছে ১৩ কোটি সুইস ফ্রাঙ্ক সমমূল্যের পণ্য।