সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদ ও তার পরিবারের সাড়ে ৪ কোটি শেয়ার জব্দ

 

অবৈধ অর্থে শেয়ার কেনার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়ায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ, তার ভাই আনিসুজ্জামান চৌধুরী রনি এবং রনির স্ত্রী ও মেঘনা ব্যাংকের সাবেক পরিচালক ইমরানা জামান চৌধুরীর নামে থাকা মেঘনা ব্যাংক পিএলসির প্রায় সাড়ে চার কোটি শেয়ার জব্দ করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) সকালে এক ব্রিফিংয়ে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান জানান, আদালতের নির্দেশে জব্দের এই আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

সিআইডির অনুসন্ধানে দেখা যায়, অভিযুক্তদের নিয়ন্ত্রণে থাকা বিভিন্ন ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট এবং তাদের কাগুজে প্রতিষ্ঠান স্টেডফাস্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেড-এর নামে মোট ৪ কোটি ৫৩ লাখ ৩০ হাজার ২০০টি শেয়ার কেনা হয়। তৎকালীন এসব শেয়ারের বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৫৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। পরবর্তীতে স্টক ডিভিডেন্ড যোগ হওয়ায় শেয়ার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৪ লাখ ৬৩ হাজার ৪৫৫টি।

সিআইডির প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, জাবেদ ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে চাঁদাবাজি, জালিয়াতি ও সংঘবদ্ধ অপরাধের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ সংগ্রহ করেন। এই অবৈধ অর্থের একটি অংশ বিদেশে পাচার করা হয় এবং পরে দেশে এনে বৈধ সম্পদে রূপান্তরের চেষ্টা করা হয়।

তদন্ত অনুযায়ী, ২০২২ সালের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিঙ্গাপুর ও দুবাই থেকে ২ কোটি ২২ লাখ ৫ হাজার ৪৪৪ মার্কিন ডলার দেশে আনা হয়। অভিযুক্তদের সহযোগী আবুল কাসেমের মাধ্যমে ওই অর্থ ইউসিবি ও এনআরবিসি ব্যাংকের এফসি অ্যাকাউন্টে জমা হয়।

পরবর্তীতে ইমরানা জামান চৌধুরী এবং স্টেডফাস্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেডের নামে ৬০ কোটি টাকা জমা করে তা কমিউনিটি ব্যাংকের বিশেষ অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকেই ৫৯.৯৫ কোটি টাকা ব্যবহার করে মেঘনা ব্যাংকের শেয়ার ক্রয় করা হয়।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, স্টেডফাস্ট ম্যানেজমেন্ট ট্রেডিং লিমিটেডের এমডি উৎপল পাল এবং পরিচালক নাসিম উদ্দিন মোহাম্মদ আদিল—দুজনই আরামিট গ্রুপের কর্মচারী এবং সাবেক মন্ত্রী জাবেদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।

সিআইডির আবেদনের পর ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত চলতি মাসের ১৮ নভেম্বর অভিযুক্তদের এসব শেয়ার জব্দের আদেশ দেন।

বর্তমানে ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের তত্ত্বাবধানে মামলাটির তদন্ত চলছে। সিআইডি জানায়, অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদ্ঘাটন, বিদেশে পাচার হওয়া অর্থের উৎস চিহ্নিত করা এবং সংশ্লিষ্ট অজ্ঞাত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এনএনবাংলা/