সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

একুশে বইমেলা রোজার ঈদের পর করার দাবি প্রকাশকদের

 

অমর একুশে বইমেলা পিছিয়ে নির্বাচনের পর ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে আয়োজনের যে সিদ্ধান্ত বাংলা একাডেমি নিয়েছে, তা আরও পিছিয়ে রোজার ঈদের পর করার দাবি জানিয়েছে প্রকাশকরা। বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির ব্যানারে এ দাবি তোলা হয়েছে।

সমিতির সভাপতি বরাবর গত ১৯ জানুয়ারি ২৬২ জন প্রকাশক এক চিঠিতে বইমেলার সময় পুনর্নির্ধারণের আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার প্রকাশকদের প্রস্তাব বাংলা একাডেমির মহাপরিচালকের মাধ্যমে সংস্কৃতি উপদেষ্টার কাছে পাঠানো হয়েছে।

তবে মেলার আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি বলছে, প্রকাশক প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করেই গত ১৭ ডিসেম্বরের সভায় ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে বইমেলা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই মেলার প্রস্তুতি এগিয়ে চলছে।

বাংলা একাডেমি সূত্র জানায়, ইতোমধ্যে পাঁচ শতাধিক প্রকাশনা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান মেলায় অংশ নিতে আবেদন করেছে। মেলার অন্তত ২৫ শতাংশ প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলেও দাবি করছেন আয়োজক সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে মেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য-সচিব এবং বাংলা একাডেমির সচিব সেলিম রেজা বলেন, “মেলার যে তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে, সেই নির্ধারিত তারিখেই মেলা শুরু করার ব্যাপারে আমাদের দিক থেকে প্রস্তুতি চলমান আছে।”

অন্যদিকে প্রকাশকরা বলছেন, নির্বাচনের পরপরই বইমেলা শুরু হলে তারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে পারেন। বিদ্যমান বাস্তবতায় বইমেলার তারিখ পুনর্নির্ধারণ জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

বইমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেডের (ইউপিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহরুখ মহিউদ্দীন বলেন,
“আমরা অবশ্যই চাই, মেলাটা একুশের চেতনাকে ধারণ করে একটি উত্তম আয়োজন হোক। কিন্তু বাস্তবতা হলো—বেশিরভাগ ছাপাখানা এখন নির্বাচনী কাজ নিয়ে ব্যস্ত। অনেক ক্ষেত্রে বই ছাপানোর শিডিউলই পাওয়া যাচ্ছে না। ঈদের আগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ হয়ে যাবে, আর রমজান ও ঈদের আগের সময়ে পাঠকরা বই কিনতে কতটা আগ্রহী হবেন, সেটাও অনিশ্চিত। তাছাড়া প্রায় দুই যুগ পর দেশে একটি নির্বাচন হচ্ছে—এই বছরটি অন্য বছরের মতো নয়। সব দিক বিবেচনায় নিয়ে সরকার নিশ্চয়ই সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।”

প্রকাশনা সংস্থা আদর্শর প্রধান নির্বাহী ও স্বত্বাধিকারী মাহাবুব রাহমান বলেন, “প্রকাশকরা যখন মনে করছেন নির্বাচনের পর ২০ ফেব্রুয়ারি থেকে মেলা শুরু করাটা বাস্তবসম্মত নয়, তখন বাংলা একাডেমির উচিত বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা। মেলা ঈদের পর করাটাই বেশি বাস্তবসম্মত হবে। কেউ কেউ ঝড়-বৃষ্টির কথা বলছেন, কিন্তু ফেব্রুয়ারিতেও তো ঝড়-বৃষ্টি হয়। সেভাবে প্রস্তুতি নিলেই সমস্যা হবে না।”

এদিকে প্রকাশকদের দাবির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় এখন সংশ্লিষ্ট সবাই।

এনএনবাংলা/