সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

পান বিক্রেতার হাতে টাকা গুঁজে দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, ক্ষমা চাইলেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার

 

জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ঢাকা-১৫ আসনে ভোট চেয়ে প্রচারণার সময় ধারণ করা ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবিরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

ভিডিওতে দেখা যায়, রাস্তার পাশে পান বিক্রি করা এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছেন শাহরিয়ার কবির। কথোপকথনের একপর্যায়ে তিনি ওই বিক্রেতার হাতে এক হাজার টাকার একটি নোট তুলে দেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর অনেকেই দাবি করছেন, এটি ২০০৮ সালের নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন।

আচরণবিধি অনুযায়ী, নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো প্রার্থী তার নির্বাচনী এলাকায় বসবাসকারী ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা প্রতিষ্ঠানে প্রকাশ্যে কিংবা গোপনে কোনো ধরনের চাঁদা বা অনুদান দিতে পারেন না বা দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিতে পারেন না।

সমালোচনার মুখে ভাইরাল ভিডিও প্রসঙ্গে নিজের ফেসবুক পেজে ব্যাখ্যা দিয়েছেন শাহরিয়ার কবির। ‘মানবিক আবেদন’ শিরোনামের এক পোস্টে তিনি লেখেন, গত শনিবার মিরপুর এলাকায় ব্যক্তিগতভাবে জামায়াতের সমর্থনে গণসংযোগের সময় একজন পান ও সিগারেট বিক্রেতার সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। কথোপকথনে জানতে পারেন, ওই বিক্রেতার সেদিন তেমন বেচাকেনা হয়নি। মানবিক দিক বিবেচনা করেই তিনি ক্যামেরার সামনে সবার উপস্থিতিতে এক হাজার টাকা দান করেন।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, একই স্থানে তিনি কিছু শিশুকে র‍্যাকেট কেনার জন্যও অর্থ সহায়তা দিয়েছেন এবং তখনই সাংবাদিকদের স্পষ্টভাবে বলেছেন, এই সাহায্য যেন অন্যভাবে ব্যাখ্যা করা না হয়।

পোস্টে শাহরিয়ার কবির লেখেন, শিশুদের র‍্যাকেট কেনার সেই ভিডিও ইতিমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে। তবে কিছু ব্যক্তি ও গণমাধ্যম এই মানবিক সহায়তাকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছে, যা তাকে মর্মাহত করেছে। তিনি বলেন, “এরূপ অপপ্রচারে আমি দুঃখিত ও ব্যথিত। তারপরও আমার এই কর্মকাণ্ডে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে আমি ক্ষমাপ্রার্থী।”

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, বয়স্ক ওই পান বিক্রেতার কাছে শাহরিয়ার কবির জানতে চান, ব্যবসা কেমন চলছে। উত্তরে তিনি বলেন, মোটামুটি। কারণ জানতে চাইলে বিক্রেতা বলেন, দেশের পরিস্থিতি ভালো না, সবাই আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।

এরপর শাহরিয়ার কবির ধর্মীয় প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আমরা মুসলমান—আল্লাহ ছাড়া ভালো-মন্দ করার ক্ষমতা কারও নেই। তিনি বিক্রেতাকে প্রশ্ন করেন, রিজিকের মালিক কে? উত্তরে বিক্রেতা বলেন, আল্লাহ। তখন শাহরিয়ার কবির মন্তব্য করেন, আল্লাহর ইচ্ছার বাইরে গিয়ে দেশ চললে ভালো হবে কি না।

কথা শেষ করে বিদায়ের সময় তিনি ওই বিক্রেতার হাতে এক হাজার টাকার একটি নোট তুলে দেন—যা নিয়েই মূলত শুরু হয়েছে বিতর্ক।

এনএনবাংলা/পিএইচ