ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থানে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। হামলায় খোররামশাহর-৪, খাইবার ও ফাতাহ ধরনের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট আই ও আল-জাজিরা জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার সময় আকাশে বিস্ফোরণের ফলে যে ধ্বংসাবশেষ (শ্র্যাপনেল) পড়ে, তাতে মধ্য ইসরায়েলের এক বাসিন্দা আহত হয়েছেন।
দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত শনিবার থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন হামলার ঘটনায় এক হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ সময় নিহত হয়েছেন অন্তত ১১ জন।
অন্যদিকে দ্য টাইমস অব ইসরায়েল তাদের প্রতিবেদনে বলেছে, শুক্রবার ইরানের সর্বশেষ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সামরিক মূল্যায়ন অনুযায়ী, এ দফায় তুলনামূলক স্বল্পসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আবাসিক এলাকায় সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানার কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে কিছু এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্রের টুকরো বা ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
হামলার সময় তেল আবিব ও মধ্য ইসরায়েলের আশপাশের এলাকায় সাইরেন বাজানো হয়। প্রায় ১১ ঘণ্টা পর এটিই ছিল প্রথম সতর্ক সংকেত। একই সময়ে কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দও শোনা যায়।
এ পরিস্থিতিতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর হোম ফ্রন্ট কমান্ড বাসিন্দাদের আশ্রয়কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকার পরামর্শ দিয়েছে।
এনএনবাংলা/


আরও পড়ুন
২০০৯ সালের পর জন্মগ্রহণকারীদের ধূমপান নিষিদ্ধ, আইন করছে যুক্তরাজ্য
তিন বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ, আরও বহু ঝুঁকিতে: বিজিএমইএ
মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ