যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পরিকল্পনা ইরানের স্থল অভিযানের দিকে এগোচ্ছে, তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি। মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, পরিকল্পনাটি কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে এবং এতে পারস্য উপসাগরের কৌশলগত খার্গ দ্বীপ ও হরমুজ প্রণালির কাছে উপকূলীয় এলাকায় ঝটিকা হামলার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই অভিযান পূর্ণমাত্রার দখলদারিত্ব বা আক্রমণ নয়; বরং স্পেশাল অপারেশন ফোর্স ও প্রচলিত পদাতিক বাহিনীর সমন্বয়ে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করার উদ্দেশ্য রয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, “স্থল সৈন্য ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্র তার লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম।” ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সামরিক পরিকল্পনা কোনো হঠাৎ পদক্ষেপ নয়, বরং দীর্ঘমেয়াদী রণকৌশলের অংশ।
এদিকে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা রোববার ইসরায়েলে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করেছে। হুতিরা ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে আগে লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে জাহাজে হামলা চালিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলকে ব্যয়বহুল বিকল্প পথে বাধ্য করেছিল। সাবেক মার্কিন কূটনীতিক নাবিল খৌরি মনে করছেন, হুতিদের এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মূলত প্রতীকী—পূর্ণমাত্রার যুদ্ধের অংশগ্রহণ নয়।
খৌরি আল জাজিরাকে বলেছেন, হুতিরা কেবল সতর্কবার্তা দিতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, যদি কোনো সমঝোতা না হয়, তবে ইরানের বিরুদ্ধে এমন পূর্ণমাত্রার হামলা হতে পারে যা আগে দেখা যায়নি। হুতিরা চাইলেই লোহিত সাগরের প্রবেশদ্বার বাব এল-মান্দাব প্রণালি বন্ধ করে দিতে পারে, নৌকা, মাইন বা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে। এতে লোহিত সাগরের সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। তবে এই পদক্ষেপের ফলে ইয়েমেনও সরাসরি যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হবে।
হুতিরা মূলত বলতে চাইছে: “আমরা এখনও এখানে আছি। যদি তোমরা ইরানের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে নামো, আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ব।”
এনএনবাংলা/পিএইচ


আরও পড়ুন
২০০৯ সালের পর জন্মগ্রহণকারীদের ধূমপান নিষিদ্ধ, আইন করছে যুক্তরাজ্য
তিন বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ, আরও বহু ঝুঁকিতে: বিজিএমইএ
মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ