সাম্প্রতিক
নিজ কার্যালয়ে মারধরের শিকার আইইডিসিআরের পরিচালক ‘ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থি’: আফগানিস্তানে কর্নিয়া প্রতিস্থাপন নিষিদ্ধ করল তালেবান রমজানের আগে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী উন্নত বাংলাদেশ গড়তে প্রবাসী-দেশবাসীকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর লগি-বৈঠা সহিংসতার ২০ বছর: আওয়ামী লীগ ও জামায়াতের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আগে যা যা ঘটেছিল বেনজীরের দুর্নীতির মামলায় আরও ১২ জনের সাক্ষ্য ঋণখেলাপির পর ব্যাংক খাতে শুরু হয় ‘লুটপাটের সংস্কৃতি’: ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষ, নিহত বেড়ে ৬৪ হত্যা হুমকির মামলা নিয়ে মুখ খুললেন তানজিন তিশা: ক্যারিয়ার ধ্বংসের চক্রান্তের অভিযোগ ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে সব ভোটকেন্দ্রই ঝুঁকিপূর্ণ: পুলিশ
Skip to content

নিজ দেশে নিপীড়নের শঙ্কা জানালে ভিসা দেবে না যুক্তরাষ্ট্র

সম্ভাব্য রাজনৈতিক আশ্রয়প্রার্থীদের প্রবেশ আরও সীমিত করতে যুক্তরাষ্ট্র নতুন ভিসা নীতি চালু করেছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, কোনো আবেদনকারী যদি নিজের দেশে নিপীড়নের শঙ্কার কথা জানান, তবে তাকে ভিসা না দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি এক কূটনৈতিক বার্তার মাধ্যমে বিষয়টি বিশ্বের বিভিন্ন মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটকে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়, অভিবাসন নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের অংশ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

নতুন নিয়মটি মূলত ‘নন-ইমিগ্র্যান্ট’ ভিসা আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এর আওতায় পর্যটক, শিক্ষার্থী এবং অস্থায়ী কর্মী ভিসা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন এবং দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট কূটনৈতিক বার্তাটি পর্যালোচনা করে এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

বার্তায় কনস্যুলার কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, আবেদনকারীরা ভ্রমণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে কোনো ধরনের জালিয়াতির আশ্রয় নিচ্ছে কি না তা নিশ্চিত করতে। বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে—যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের পর কেউ যেন রাজনৈতিক আশ্রয় আবেদন করার উদ্দেশ্য না রাখে।

এই নির্দেশনার অংশ হিসেবে ভিসা আবেদনকারীদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করা হবে—

১. আপনি কি নিজের দেশ বা সর্বশেষ বসবাসের স্থানে কোনো ক্ষতি বা নির্যাতনের শিকার হয়েছেন?
২. দেশে ফিরে গেলে আপনি কি কোনো নির্যাতনের আশঙ্কা করছেন?

কূটনৈতিক বার্তায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ভিসা প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে হলে আবেদনকারীকে এই দুই প্রশ্নের উত্তরে মুখে ‘না’ বলতে হবে।

অভিবাসন নীতি বিশ্লেষক ক্যামিল ম্যাকলার বলেন, এই নির্দেশনা মানুষকে অত্যন্ত কঠিন ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে। এতে আবেদনকারীদের এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করা হচ্ছে, যা তাদের এবং তাদের পরিবারের নিরাপত্তার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।

এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ৭৫টি দেশের জন্য ইমিগ্র্যান্ট ভিসা প্রক্রিয়াকরণ স্থগিত করে। পাশাপাশি শিক্ষার্থী ভিসা আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাইও আরও কঠোর করা হয়েছে। নতুন নিরাপত্তা নির্দেশনার অংশ হিসেবে কিছু আবেদনের সিদ্ধান্ত তথ্য যাচাইয়ের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে।

বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে হলে একজন ব্যক্তিকে দেশটিতে শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকতে হয়। সাধারণত রাজনৈতিক, ধর্মীয় বা বর্ণগত নিপীড়নের কারণে নিজ দেশ ছেড়ে আসা ব্যক্তিরাই এই আশ্রয়ের জন্য আবেদন করতে পারেন।

এনএনবাংলা/