সাম্প্রতিক
২৫ বছর আগে ১ অক্টোবরের নির্বাচনে যেভাবে বড় জয় পেয়েছিল বিএনপি অপারেশন ক্লিন হার্টের মতো ‘অভিযান’ চালানোর পরিকল্পনা নেই সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির এমপি মিষ্টির পদত্যাগপত্র গৃহীত, সংরক্ষিত নারী আসন-২৩ শূন্য ঘোষণা ক্যালিফোর্নিয়ায় বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ অঙ্গরাজ্যে কেন নয়? চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি ১৫ বছর চালাবে বিদেশি অপারেটর, চুক্তি অনুমোদন অক্টোবরে ডেঙ্গু পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার শঙ্কা ৪৬ হাজার কোটি টাকায় মেট্রোরেলের ভূগর্ভস্থ-উড়ালপথ নির্মাণের অনুমোদন ৪৫৯২ জনবল নিয়ে সাইবার পুলিশ ইউনিটের যাত্রা শুরু, থাকবেন ডার্ক ওয়েব ও ক্রিপ্টো অ্যানালিস্ট অবরোধে অস্থির ফ্রান্স: শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, বন্ধ ১৬০টির বেশি স্কুল একটি দলের ‘অপশক্তি’ অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

অবৈধ অভিবাসনে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করছে বলে জানিয়েছেন শামা ওবায়েদ ইসলাম। এ ধরনের কর্মকাণ্ডে জড়িত অসাধু চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।

সোমবার (১১ মে) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘অভিবাসন ও চলাচল : বাংলাদেশের পরিস্থিতি’ শীর্ষক এক বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

বাংলাদেশ-লিবিয়া-ইতালি রুটে অনিয়মিত অভিবাসনের সময় ঝুঁকিপূর্ণ ভূমধ্যসাগরীয় পথে সাম্প্রতিক বাংলাদেশিদের মৃত্যুর ঘটনাকে সামনে রেখে এ বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র সচিব, সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত, লিবিয়ার ভারপ্রাপ্ত মিশন প্রধান (সিডিএ-এআই) এবং ঢাকায় (আইওএম) মিশনের প্রধান। তারা অভিবাসন পরিস্থিতি ও করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

আলোচনায় ইতালির রাষ্ট্রদূত জানান, ইউরোপীয় ইউনিয়ন আগামী ২০২৬ সালের জুনে আশ্রয় ও অভিবাসন সংক্রান্ত নতুন বিধিমালা কার্যকর করতে যাচ্ছে। নতুন এ নীতিমালায় অবৈধ অভিবাসীদের বৈধ মর্যাদা পাওয়ার আশ্রয় প্রক্রিয়া আরও কঠোর করা হবে।

বৈঠকে নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন বাড়ানোর লক্ষ্যে দক্ষতা উন্নয়ন, ভাষাজ্ঞান বৃদ্ধি এবং বৈধ অভিবাসনের পথকে আরও আকর্ষণীয় করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়া নিয়মিত অভিবাসন ব্যবস্থাকে কার্যকর করতে গন্তব্য দেশগুলোর নিয়োগদাতাদের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কর্মসংস্থান-নিশ্চিত অভিবাসন কাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। দক্ষতা প্রশিক্ষণের সঙ্গে কর্মসংস্থানের সংযোগ স্থাপনের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয়।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ ভিশনের আলোকে প্রবাসী বাংলাদেশিদের আরও সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, রেমিট্যান্স, বিনিয়োগ, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী ধারণার মাধ্যমে প্রবাসীরা তারেক রহমান–এর কল্পিত উন্নয়ন অভিযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন।

বৈঠকের শেষে অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধ, নিয়মিত অভিবাসন সম্প্রসারণ এবং পুরো অভিবাসন প্রক্রিয়ায় মানবিক, নিয়মতান্ত্রিক ও অধিকারভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ একযোগে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করে।

এনএনবাংলা/পিএইচ