Skip to content

Upcoming
Ghana
0-0
Panama
Source: ESPN

বিদ্যুতের দাম বাড়ছে কি না জানা যাবে বুধবার

বিদ্যুতের নতুন মূল্যহার নির্ধারণে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) সিদ্ধান্ত বুধবার ঘোষণা করা হবে। সেদিন বিকাল ৩টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (আইইবি) শহীদ প্রকৌশলী ভবনে বিইআরসির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হবে।

এর আগে পাইকারি ও খুচরা বিদ্যুতের দাম এবং সঞ্চালন চার্জ পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাবের ওপর গত ২০ ও ২১ মে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি), পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিবিপিএলসি), পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি), ডিপিডিসি, ডেসকো, ওজোপাডিকো ও নেসকো অংশ নেয়।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাইকারি বিদ্যুতের গড় মূল্য ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্টদের মতে, পাইকারি মূল্য বৃদ্ধি পেলে খুচরা পর্যায়ের বিদ্যুতের বিলেও প্রভাব পড়তে পারে। তবে অতীতের মতো এবারও পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে ভিন্ন সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

গণশুনানিতে পিডিবি জানায়, উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয়ের তুলনায় বর্তমান পাইকারি মূল্য অনেক কম। তাদের হিসাবে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে বিদ্যুৎ সরবরাহের গড় ব্যয় ইউনিটপ্রতি ১২ টাকা ৯১ পয়সা হতে পারে। এ কারণে পাইকারি বিদ্যুতের দাম ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২০ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫০ পয়সা পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

পিডিবির দাবি, ইউনিটপ্রতি ১ টাকা ২০ পয়সা বাড়ালে বার্ষিক ঘাটতি প্রায় ১৩ হাজার ২৯৮ কোটি টাকা এবং ১ টাকা ৫০ পয়সা বাড়ালে প্রায় ১৬ হাজার ৬২৩ কোটি টাকা কমবে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তাদের আর্থিক ঘাটতি প্রায় ৬০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে।

অন্যদিকে, শুনানিতে অংশ নেওয়া বিভিন্ন পক্ষ বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির বিরোধিতা করে। তাদের মতে, ক্যাপাসিটি চার্জ, সিস্টেম লস, প্রকল্প ব্যয় ও ব্যবস্থাপনার অদক্ষতার বোঝা ভোক্তাদের ওপর চাপানো উচিত নয়। তারা মূল্য বৃদ্ধি নয়, বরং ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান।

এনএনবাংলা/পিএইচ