



আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা আগামী ৪ জুলাই রাজধানী তেহরানে অনুষ্ঠিত হবে। পরে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৯ জুলাই তাকে তার জন্মস্থান ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পবিত্র শহর মাশহাদে দাফন করা হবে।
শনিবার (১৩ জুন) দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স প্রতিবেদনে বলা হয়, জানাজার অংশ হিসেবে ৭ জুলাই তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত পবিত্র শহর কওমে বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে চালানো ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ বিমান হামলার প্রথম দিনেই নিহত হন ৮৬ বছর বয়সী এই ধর্মীয় নেতা। টানা ৩৬ বছর ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, মৃত ব্যক্তিকে দ্রুত দাফনের বিধান রয়েছে এবং সাধারণত ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দাফন সম্পন্ন করা আদর্শ হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে যুদ্ধকালীন বা বিশেষ পরিস্থিতিতে এ নিয়মের ব্যতিক্রম দেখা যায়।
দীর্ঘ শাসনামলে খামেনি ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলেন। একই সঙ্গে হিজবুল্লাহর মতো মিত্র গোষ্ঠীর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সামরিক ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করেন। দেশের অভ্যন্তরে বিক্ষোভ ও অস্থিরতা দমনেও তিনি কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন।
যে বিমান হামলায় তিনি নিহত হন, সেই হামলায় তেহরানে তার কেন্দ্রীয় কমপাউন্ড সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায়। এতে তার ৫৬ বছর বয়সী ছেলে মোজতবা খামেনির স্ত্রী নিহত হন এবং মোজতবা নিজেও আহত হন। পরে তিনিই ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
এনএনবাংলা/পিএইচ
Tags: আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন