




বাংলাদেশের সম্ভাব্য ২০টি জে-১০সিই (J-10CE) যুদ্ধবিমান ক্রয়, চীনের প্রস্তাবিত চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডোর (সিএমবিসি) এবং তিস্তা প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে মন্তব্য করেছে ভারত। দিল্লি জানিয়েছে, এসব বিষয়ে তারা গভীর নজর রাখছে।
শুক্রবার (৩ জুলাই) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, প্রতিবেশী দেশগুলোর যেকোনো উন্নয়নমূলক বা কৌশলগত কর্মকাণ্ডের ওপর ভারত সবসময়ই গভীর নজর রাখে।
তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্প (টিআরসিএমআরপি) নিয়ে প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের উন্নয়ন সহযোগিতা পারস্পরিক বোঝাপড়া ও নিয়মিত পরামর্শের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জন্য ভারতের উন্নয়ন সহায়তা দুই দেশের সম্মত একটি রোডম্যাপ অনুসারে পরিচালিত হয়, যা নিয়মিত পর্যালোচনা করা হয়।
রণধীর জয়সওয়াল আরও বলেন, তিস্তা নদী প্রকল্প সম্পর্কে ভারতের অবস্থান ইতোমধ্যেই বাংলাদেশকে জানানো হয়েছে। ভবিষ্যতে এ বিষয়ে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় সংশ্লিষ্ট সব সাম্প্রতিক বিষয় বিবেচনায় রাখা হবে।
বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে তিস্তা এবং ভারত থেকে প্রবাহিত অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত নদীর ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা নিয়ে সমঝোতার কয়েক দিনের মধ্যেই দিল্লির এ মন্তব্য এলো।
সম্প্রতি চীন সফর শেষে গত ২৯ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা দেন, দেশের উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিনের পানির সংকট নিরসনে জাতীয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ‘যেকোনো মূল্যে’ তিস্তা ব্যারেজ মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, বাংলাদেশের তিস্তা প্রকল্পে বেইজিংয়ের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। তিনি জানান, বাংলাদেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতেই তিস্তা প্রকল্পে চীন কাজ করবে এবং এ বিষয়ে তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।
এনএনবাংলা/
Tags: চীনা যুদ্ধবিমানতিস্তা প্রকল্পতিস্তা ব্যারেজবাংলাদেশ চীন সম্পর্কবাংলাদেশ-ভারত সম্পর্করণধীর জয়সওয়াল
এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন