সাম্প্রতিক
নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা ঢাকায় অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন পরিকল্পনা, কতটা কার্যকর হবে? রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ, তদন্তে আরও ৪ জন হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ডেঙ্গুতে একজনের প্রাণহানি তিন ফিফটিতে বাংলাদেশের ৩১৭, প্রথম দিনেই নাটকীয় উত্থান-পতন শেখ হাসিনার আমলে দুই বিচার নিয়ে কী বলেছিলেন নাভি পিল্লাই? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ বিজেপির মোটরসাইকেলে এসে বিকাশকর্মীদের গাড়িতে গুলি, দুই বস্তায় থাকা তিন কোটি টাকা লুট নাভি পিল্লাইয়ের নোবেল জয়ের পরই আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে ছয় কোটি ২০ লাখ নিম্ন মধ্যবিত্ত
Skip to content

চট্টগ্রামে বন্যা-পাহাড়ধসে ৬ দিনে ৪৩ প্রাণহানি, ক্ষতিগ্রস্ত ৮ লাখ ৬৭ হাজার

ছবি : সংগৃহীত

টানা ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলে সৃষ্টি হওয়া বন্যা ও পাহাড়ধসে গত ছয় দিনে অন্তত ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ দুর্যোগে প্রায় ৮ লাখ ৬৭ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পাশাপাশি বিভাগের ২৪২ কিলোমিটার সড়ক পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

শনিবার (১১ জুলাই) রাতে প্রকাশিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিভাগীয় প্রশাসনের তথ্যমতে, নিহতদের মধ্যে চট্টগ্রাম জেলায় ১১ জন, কক্সবাজারে ২৩ জন (যার মধ্যে ১৩ জন রোহিঙ্গা), রাঙামাটিতে ৩ জন এবং বান্দরবানে ৬ জন রয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন মোট ৩৯ জন। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ১২ জন, কক্সবাজারে ২৪ জন (৫ জন রোহিঙ্গা), খাগড়াছড়িতে ১ জন এবং বান্দরবানে ২ জন।

বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা। সেখানে ৬ লাখ ৬২ হাজার মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। এছাড়া কক্সবাজারে ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৭ জন, রাঙামাটিতে ৩ হাজার ৮২০ জন, খাগড়াছড়িতে ৩৪ হাজার ৪১৭ জন এবং বান্দরবানে ৮ হাজার ৩৫০ জন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮ লাখ ৬৬ হাজার ৬১৪ জনে।

দুর্গত মানুষের নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য চট্টগ্রাম বিভাগজুড়ে ১ হাজার ৭২৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৬৭০টি, কক্সবাজারে ৬৪০টি, রাঙামাটিতে ৪৭টি, খাগড়াছড়িতে ১৫০টি এবং বান্দরবানে ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে। বর্তমানে এসব আশ্রয়কেন্দ্রে ৩৭ হাজার ৫৫ জন মানুষ অবস্থান করছেন।

বন্যা মোকাবিলায় ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে সরকার খাদ্য ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছে। চট্টগ্রাম জেলায় ইতোমধ্যে ৫৪০ মেট্রিক টন চাল, ৪৩ লাখ টাকা, ৩০ হাজার ৭০০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১৭ হাজার ২৫০ প্যাকেট রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানেও চাল, নগদ অর্থ, শুকনো খাবার, শিশু খাদ্য, ডায়াপার এবং স্যানিটারি ন্যাপকিনসহ বিভিন্ন ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

এদিকে বান্দরবানে ব্র্যাক, ওয়ার্ল্ড ভিশন, গ্রাউস ও সোনেসহ বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার সহায়তায় অতিরিক্ত ১ হাজার ৮৪৫ প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি জেলার জন্য আরও ৬৮ মেট্রিক টন চাল এবং ১০ লাখ ৫০ হাজার টাকা উপ-বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এনএনবাংলা/