সাম্প্রতিক
বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা নানা পাটেকর মারা গেছেন চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনায় ডিপি ওয়ার্ল্ড, ১৫ বছরের চুক্তি সই গঙ্গা চুক্তি ডিসেম্বরে, মার্চে দৃশ্যমান হবে পদ্মা ব্যারাজ: পানিসম্পদ মন্ত্রী দিল্লিতে ৩ বছর পর আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ-ভারত জঙ্গল সলিমপুরে হচ্ছে সারদার আদলে পুলিশ একাডেমি, সরবে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারও সৌদি-হুথি সংঘাত তীব্র হচ্ছে, যুদ্ধে জড়াচ্ছে তুরস্ক-পাকিস্তান-সিরিয়া বিশ্বসেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় ঢাবির ২২ শিক্ষক-গবেষক সাহিত্যে নোবেল পেলেন কানাডার কবি অ্যান কারসন আবরার হত্যার দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর রূপপুরে প্রথম ইউনিটে নিয়ন্ত্রিত পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর অনুমতি
Skip to content

বাংলাদেশের সঙ্গে সবার আগে অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক দরকার: ভারতের হাইকমিশনার

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী/ছবি

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সবার আগে অর্থনৈতিক সুসম্পর্ক নিশ্চিত করা প্রয়োজন। অর্থনৈতিক সম্পর্ক ভালো থাকলে দুই দেশের অন্যান্য সম্পর্কও আরও সুন্দরভাবে এগিয়ে যাবে।

সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন ইস্যু থাকতেই পারে। তবে দুই দেশের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, উন্নয়ন চায়। তাই উভয় দেশের উন্নয়নে একসঙ্গে কাজ করা সবার দায়িত্ব।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যৌথ উদ্যোগে পণ্য উৎপাদন বাড়ানো দরকার। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ভারত যদি জিপার, মেশিনারি ও বোতামসহ বিভিন্ন উপকরণ সরবরাহ করতে পারে, তাহলে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা তৈরি হবে।

ভারতের হাইকমিশনার বলেন, তিনি যখন আমেরিকান বা ইউরোপের বাজারে যান এবং কোনো শার্ট বা টি-শার্টের গায়ে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা দেখেন, তখন তার ভালো লাগে। প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের এত বড় গার্মেন্টস খাত রয়েছে—এটি ইতিবাচক বিষয়। যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমেও একইভাবে দুই দেশ অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারে।

বৈঠক শেষে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বর্তমানে প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য রয়েছে। তবে গত দেড় বছরে দুই দেশের বাণিজ্যে কিছু প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়েছিল। বৈঠকে এসব বিষয় সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে এবং কীভাবে আগামী দিনে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও সহজ ও কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, চীনের পর ভারত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক অংশীদার। দুই দেশের মধ্যে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে, বৈঠকে সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, ভারতের সঙ্গে ল্যান্ড বর্ডারগুলো পুরোপুরি কার্যকর করা, সীমান্ত হাটগুলো পুনরায় চালু করা এবং স্থলবন্দর দিয়ে সুতা আমদানির ওপর যে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, তা প্রত্যাহার করে আবার আমদানির সুযোগ চালুর বিষয়গুলো ভারতের হাইকমিশনারের কাছে তুলে ধরা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ভারতের হাইকমিশনারের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশে তার অবস্থানকালে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, কয়েকদিন আগে ভারতের একটি বাণিজ্যিক প্রতিনিধিদলও তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে। তারা দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠন এবং ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণের বিষয়ে ব্যবসায়ীদের মধ্যে যৌথ উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে।

তিনি বলেন, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে গতি আনা, নতুন বিনিয়োগের সুযোগ ও ক্ষেত্র খুঁজে বের করা এবং সম্পর্ককে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।

এনএনবাংলা