সাম্প্রতিক
জুলাই আন্দোলনে মুগ্ধসহ ১১ হত্যা, ট্রাইব্যুনালে ২৬ আসামির বিচার শুরু তিন মাসে পোশাক রপ্তানিতে আয় ১ হাজার ৫৮ কোটি ডলার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রথমবার সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু ঢাকার ৮০ শতাংশ লোকাল বাসে নেই হেলপার, সংরক্ষিত আসনেও বসেন পুরুষ যাত্রী বেআইনি আটক বন্ধ ও ইন্টারনেট-মেট্রো চালুর নির্দেশ ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের দুর্গাপূজায় চলবে ৩ জোড়া বিশেষ ট্রেন, ৫ ট্রেনের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল সাজেক ভ্যালি বন্ধ ঘোষণা, পর্যটকদের জন্য জরুরি নির্দেশনা তরুণ জার্মান পর্যটকের কান্না ছুঁয়ে গেল বাংলাদেশিকে, উপহার দিলেন ম্যাকবুক নেপালে আকস্মিক বন্যা, ভেসে গেল ৪০ বাড়ি ও একাধিক সেতু শেরেবাংলা নগরে যাচ্ছে সচিবালয়
Skip to content

ডিমের দাম চড়া, কিনতে হিমশিম নিম্ন আয়ের মানুষ

ছবি: লাইফ ক্লিক

রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ডিম কেনাও কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে নিয়মিত ডিম কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

বাজারে প্রতি ডজন হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায়। বিক্রেতাদের দাবি, বৃষ্টি ও বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন খামারে মুরগি মারা যাচ্ছে। পাশাপাশি পোল্ট্রি ফিডের চড়া দামসহ নানা কারণে মুরগি পালন ও ডিম উৎপাদনের খরচ বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাজারদরেও।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর নাখালপাড়া, মগবাজার, মালিবাগ, শান্তিনগর, শেওড়াপাড়া, মহাখালী, মিরপুর, আগারগাঁও ও কল্যাণপুরের একাধিক বাজার ঘুরে ডিমের এমন বাড়তি দামের চিত্র দেখা গেছে।

মিরপুর-৬ নম্বর বাজারের ডিম বিক্রেতা মামুন বলেন, এখন পাইকারিতেই চড়া দামে ডিম বিক্রি হচ্ছে। পাইকারিতে ১০০টি ডিম ১ হাজার ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে প্রতি পিস ডিমের দাম পড়ছে ১১ টাকা ২০ পয়সা। আর খুচরা বাজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়, অর্থাৎ প্রতি পিসের দাম ১২ টাকা ৫০ পয়সা।

আরেক ব্যবসায়ী বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক খামারে মুরগি মারা যাচ্ছে। এর সঙ্গে পোল্ট্রি ফিডের দামও বেশি। ফলে মুরগি পালন আগের তুলনায় বেশি খরচ হয়ে পড়েছে। উৎপাদন খরচ বাড়ায় ডিমের দামও বেড়েছে।

তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন মাঝে মাঝে অভিযান চালালে সাময়িকভাবে দাম কমে বা স্থিতিশীল থাকে। অভিযান শেষ হওয়ার পর আবার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে ডিমের দাম বাড়তে থাকে।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ছয় মাসে ডিমের হালিতে দাম বেড়েছে ১৪ থেকে ১৬ টাকা। গত দুই মাস ধরে প্রতি হালি ডিম ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রতি হালি ডিমের দাম ছিল ৩৪ থেকে ৪০ টাকা। তখন প্রতি পিস ডিমের দাম ছিল ৮ থেকে ১০ টাকা। বর্তমানে প্রতি পিস ডিমের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ থেকে সাড়ে ১২ টাকায়। অর্থাৎ ছয় মাসের ব্যবধানে প্রতি ডিমে দাম বেড়েছে ৪ থেকে সাড়ে ৪ টাকা।

মালিবাগ কাঁচাবাজারে কথা হয় চাকরিজীবী মকবুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, ডিম প্রতিটি পরিবারেই প্রয়োজন। ১ টাকা, ২ টাকা করে যেভাবে দাম বাড়ছে, এই বাড়তি দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন তিনি। তার ভাষ্য, আয় না বাড়লেও প্রতিনিয়ত বাজার খরচ বাড়ছে। এভাবে নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার চালানো আরও কঠিন হয়ে যাবে।

এনএনবাংলা/