সাম্প্রতিক
এক মাসে ৬০০ বস্ত্র কারখানায় উৎপাদন বন্ধ, বিটিএমএ সভাপতির দাবি চট্টগ্রামগামী বিমানে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে নারী যাত্রীর মৃত্যু, মাসকটে জরুরি অবতরণ বাঘাবাড়ি ঘি ও বম্বে সুইটসের মসলাসহ ১০ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ অর্থের অভাবে কোনো নাগরিকের চিকিৎসা বন্ধ হবে না: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নেপালে ৪০০ পর্যটক নিখোঁজ, নিহত বেড়ে ৯৫ কক্সবাজারে বোটডুবি, ৩২ ঘণ্টা পর নিউজিল্যান্ডের কিশোরের মরদেহ উদ্ধার ‘মক্কা চুক্তি’তে বাংলাদেশ যোগ দিলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও জটিল হতে পারে: রয়টার্স গ্রিন কার্ডের অপেক্ষায় থাকা বাংলাদেশিদের স্বস্তি এনে দিল F2A ভিসা কাট-অফ চাঁদপুরে স্বর্ণ ব্যবসায়ী সপরিবারে নিখোঁজ নাকি আত্মগোপনে? ডিমের দাম চড়া, কিনতে হিমশিম নিম্ন আয়ের মানুষ
Skip to content

ডিমের দাম চড়া, কিনতে হিমশিম নিম্ন আয়ের মানুষ

ছবি: লাইফ ক্লিক

রাজধানীর বাজারে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে চাপে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। এর মধ্যে গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রতি ডজন ফার্মের মুরগির ডিম ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হওয়ায় নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ডিম কেনাও কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে নিয়মিত ডিম কিনতে গিয়ে বাড়তি খরচ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন তারা।

বাজারে প্রতি ডজন হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকায়। বিক্রেতাদের দাবি, বৃষ্টি ও বিদ্যুৎ না থাকায় বিভিন্ন খামারে মুরগি মারা যাচ্ছে। পাশাপাশি পোল্ট্রি ফিডের চড়া দামসহ নানা কারণে মুরগি পালন ও ডিম উৎপাদনের খরচ বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে বাজারদরেও।

বুধবার (২৬ আগস্ট) রাজধানীর নাখালপাড়া, মগবাজার, মালিবাগ, শান্তিনগর, শেওড়াপাড়া, মহাখালী, মিরপুর, আগারগাঁও ও কল্যাণপুরের একাধিক বাজার ঘুরে ডিমের এমন বাড়তি দামের চিত্র দেখা গেছে।

মিরপুর-৬ নম্বর বাজারের ডিম বিক্রেতা মামুন বলেন, এখন পাইকারিতেই চড়া দামে ডিম বিক্রি হচ্ছে। পাইকারিতে ১০০টি ডিম ১ হাজার ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এতে প্রতি পিস ডিমের দাম পড়ছে ১১ টাকা ২০ পয়সা। আর খুচরা বাজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়, অর্থাৎ প্রতি পিসের দাম ১২ টাকা ৫০ পয়সা।

আরেক ব্যবসায়ী বলেন, বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক খামারে মুরগি মারা যাচ্ছে। এর সঙ্গে পোল্ট্রি ফিডের দামও বেশি। ফলে মুরগি পালন আগের তুলনায় বেশি খরচ হয়ে পড়েছে। উৎপাদন খরচ বাড়ায় ডিমের দামও বেড়েছে।

তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, ডিমের বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন মাঝে মাঝে অভিযান চালালে সাময়িকভাবে দাম কমে বা স্থিতিশীল থাকে। অভিযান শেষ হওয়ার পর আবার সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে ডিমের দাম বাড়তে থাকে।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ছয় মাসে ডিমের হালিতে দাম বেড়েছে ১৪ থেকে ১৬ টাকা। গত দুই মাস ধরে প্রতি হালি ডিম ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রতি হালি ডিমের দাম ছিল ৩৪ থেকে ৪০ টাকা। তখন প্রতি পিস ডিমের দাম ছিল ৮ থেকে ১০ টাকা। বর্তমানে প্রতি পিস ডিমের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১২ থেকে সাড়ে ১২ টাকায়। অর্থাৎ ছয় মাসের ব্যবধানে প্রতি ডিমে দাম বেড়েছে ৪ থেকে সাড়ে ৪ টাকা।

মালিবাগ কাঁচাবাজারে কথা হয় চাকরিজীবী মকবুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, ডিম প্রতিটি পরিবারেই প্রয়োজন। ১ টাকা, ২ টাকা করে যেভাবে দাম বাড়ছে, এই বাড়তি দাম কোথায় গিয়ে ঠেকবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন তিনি। তার ভাষ্য, আয় না বাড়লেও প্রতিনিয়ত বাজার খরচ বাড়ছে। এভাবে নিত্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সংসার চালানো আরও কঠিন হয়ে যাবে।

এনএনবাংলা/