সাম্প্রতিক
নিত্যপণ্যের বাড়তি দামে অস্বস্তিতে ক্রেতারা ঢাকায় অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণে নতুন পরিকল্পনা, কতটা কার্যকর হবে? রাবিতে সাংবাদিকদের ওপর হামলা: ৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ, তদন্তে আরও ৪ জন হামের উপসর্গে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু, ডেঙ্গুতে একজনের প্রাণহানি তিন ফিফটিতে বাংলাদেশের ৩১৭, প্রথম দিনেই নাটকীয় উত্থান-পতন শেখ হাসিনার আমলে দুই বিচার নিয়ে কী বলেছিলেন নাভি পিল্লাই? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ-নেপালের মতো ‘নৈরাজ্য’ সৃষ্টির চেষ্টার অভিযোগ বিজেপির মোটরসাইকেলে এসে বিকাশকর্মীদের গাড়িতে গুলি, দুই বস্তায় থাকা তিন কোটি টাকা লুট নাভি পিল্লাইয়ের নোবেল জয়ের পরই আইসিসির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বাংলাদেশে দরিদ্র হওয়ার ঝুঁকিতে ছয় কোটি ২০ লাখ নিম্ন মধ্যবিত্ত
Skip to content

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা কারাগারে

শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপা। ফাইল ছবি

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাংবাদিক শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান ও তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যরা।

প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানসংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় এই তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গত ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করে প্রসিকিউশন। একই সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চাওয়া হয়।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়।

মামলার অভিযোগের বিষয়ে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কয়েকজন সাংবাদিক উসকানিমূলক বক্তব্য দেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের ‘রাজাকারের বাচ্চা’ ও ‘রাজাকারের নাতিপুতি’ বলে মন্তব্য করেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

এনএনবাংলা/