সাম্প্রতিক
দেশে প্রথমবার লটারিতে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি ফ্রান্সজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত কয়েকশ ডেঙ্গুতে ১০ মৃত্যু, হামের উপসর্গে আরও ৬ প্রাণহানি কাশ্মীর থেকে ১৫০ ‘অবৈধ বাংলাদেশিকে’ ফেরত পাঠানোর খবরে সীমান্তে সতর্ক বিজিবি রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে ঘেরাও করে পদত্যাগে বাধ্য করার অভিযোগ, পিএসকেও মারধর চট্টগ্রাম বন্দরে অনুমতি ছাড়া ছবি-ভিডিও ধারণে নিষেধাজ্ঞা শুধু মোকাবিলা নয়, বিজেপিকে ধ্বংস করে দেব: রাহুল গান্ধী ৩০ ব্যাংকের বন্ধ কার্ড ও ডিজিটাল সেবা দ্রুত চালুর নির্দেশ চট্টগ্রামে ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কেন? সাংবিধানিকভাবে দায়মুক্তি পাচ্ছেন জুলাইযোদ্ধারা, ফিরছে তত্ত্বাবধায়ক-গণভোট: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
Skip to content

তিন মাসে এলপিজির কাঁচামালের দাম কত ও কেন বাড়লো?

ছবি: সংগৃহীত

দেশের বাজারে এলপিজির দাম বাড়ার পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি আমদানি খরচও বড় ভূমিকা রাখছে। গত তিন মাসে এলপিজির প্রধান দুই কাঁচামাল প্রোপেন ও বিউটেনের গড় দাম টনপ্রতি ৭৯ দশমিক ৫০ ডলার বেড়েছে। একই সময়ে এলপিজি আমদানির প্রিমিয়াম ও জাহাজ ভাড়ার খরচও টনপ্রতি ৭০ ডলার বেড়েছে।

এলপিজির আন্তর্জাতিক বাজারদর, আমদানি খরচসহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনায় নিয়ে দেশে সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম ও আমদানি ব্যয় বাড়লে এর প্রভাব পড়ে দেশের এলপিজির বাজারেও।

তথ্য অনুযায়ী, আগস্টে এলপিজির কাঁচামাল প্রোপেনের দাম ছিল টনপ্রতি ৬২০ ডলার। সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে ৬২৫ ডলার এবং অক্টোবরে ৬৮০ ডলারে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ তিন মাসে প্রোপেনের দাম বেড়েছে ৬০ ডলার।

অন্যদিকে, আগস্টে বিউটেনের দাম ছিল টনপ্রতি ৬৪০ ডলার। সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে ৬৬০ ডলার এবং অক্টোবরে ৭৩০ ডলারে উঠেছে। ফলে তিন মাসে বিউটেনের দাম বেড়েছে ৯০ ডলার।

প্রোপেন ও বিউটেনের গড় দাম হিসাব করলেও একই ধরনের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে। আগস্টে দুই কাঁচামালের গড় দাম ছিল টনপ্রতি ৬৩৩ ডলার। সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৬৪৭ দশমিক ৭৫ ডলারে। অক্টোবরে আরও বেড়ে গড় দাম দাঁড়িয়েছে ৭১২ দশমিক ৫০ ডলারে। অর্থাৎ তিন মাসে টনপ্রতি গড় দাম বেড়েছে ৭৯ দশমিক ৫০ ডলার।

কেবল কাঁচামালের দামই নয়, এলপিজি আমদানির প্রিমিয়াম ও জাহাজ ভাড়ার খরচও বেড়েছে। আগস্টে এ খাতে টনপ্রতি খরচ ছিল ১৮০ ডলার। সেপ্টেম্বরে তা কমে ১৬০ ডলারে নামলেও অক্টোবরে এক লাফে বেড়ে ২৫০ ডলারে পৌঁছেছে। ফলে তিন মাসের ব্যবধানে এ খাতে টনপ্রতি খরচ বেড়েছে ৭০ ডলার।

এরই মধ্যে গত ৪ অক্টোবর দেশে এলপিজির দাম বাড়িয়েছে বিইআরসি। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম এক ধাক্কায় ২৫২ টাকা বাড়ানো হয়েছে। শুধু ১২ কেজি নয়, ৫ কেজি থেকে শুরু করে ৪৫ কেজি পর্যন্ত বিভিন্ন ওজনের সব ধরনের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়েছে।

তবে বিইআরসি নির্ধারিত দাম অনুযায়ী বাজারে এলপিজি পাওয়া নিয়ে আগের মতোই প্রশ্ন রয়েছে। নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এখনও সিলিন্ডার বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। গত ৫ অক্টোবর বাজারে ১২ কেজির একটি এলপিজি সিলিন্ডার সর্বোচ্চ ২ হাজার ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে।

এর আগে প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে বাজারে এলপিজির সংকটের অজুহাতে বাড়তি দামে সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছিল। এখন বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতির পাশাপাশি বাড়তি দামও গ্রাহকদের জন্য বড় ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এনএনবাংলা/