সাম্প্রতিক
Skip to content

সোনারগাঁয়ে সাহাপুর ব্রিজ নির্মাণের পর ঝুঁকিতে আজিজুলের বাড়ি, আতঙ্কে ২০ পরিবার

ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও পৌরসভার সাহাপুর ব্রিজ নির্মাণের পর পাশের আজিজুলের একতলা ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে ভবনটির ছাদের একাংশ ভেঙে দেবে যাওয়ার ঘটনায় আশপাশের ১৫ থেকে ২০টি পরিবারের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ভবনটি যেকোনো সময় আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

ভবন মালিক আজিজুলের দাবি, প্রায় এক বছর আগে ব্রিজটি নির্মাণের পর তাদের বাড়ির পাশ থেকে মাটি সরে যেতে শুরু করে। বিষয়টি নিয়ে ব্রিজ নির্মাণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রাকিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করে দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে কাজ শেষ হওয়ার পরও ভবনটি মেরামত করা হয়নি বলে অভিযোগ তার। বরং কাজ শেষ করে সংশ্লিষ্টরা চলে যান। পরবর্তী সময়ে কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও ঠিকাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন আজিজুলের স্ত্রী।

বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ ভবনটির পাশের মাটি সরে গিয়ে ছাদের একাংশ ভেঙে দেবে যায়। খবর পেয়ে সোনারগাঁও উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করে দুর্ঘটনা এড়াতে বিপজ্জনক অংশটি রশি দিয়ে ঘিরে দেন, যাতে কেউ ওই স্থান দিয়ে চলাচল করতে না পারেন।

স্থানীয়দের আশঙ্কা, সাহাপুর ব্রিজ দিয়ে কয়েক টন ওজনের পণ্যবোঝাই লরি ও ট্রাক চলাচলের সময় তীব্র কম্পনের সৃষ্টি হয়। এতে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি আরও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এ কারণে ভবনটির আশপাশে বসবাসকারী ১৫ থেকে ২০টি পরিবার চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। এ এলাকায় মার্সফিড ও আল মোস্তফা গ্রুপ নামে দুটি কোম্পানি থাকায় ভারী যানবাহনের চলাচলও রয়েছে।

ভবন মালিক আজিজুলের দাবি, কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটার আগেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান এবং উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।

এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মকর্তা জানান, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ভবনটির বিপজ্জনক অংশ রশি দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে, যাতে কেউ সেখানে প্রবেশ করতে না পারেন।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পৌরসভার প্রশাসক আসিফ আল জিন্নাহর মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এনএনবাংলা/