সাম্প্রতিক
লঞ্চের ভাড়া বাড়ল, রেলের এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি সাধারণ গ্রাহকদের জন্য বন্ধ হচ্ছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক? ঢাকায় অফিস খুলতে আগ্রহী মেটা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফুডপান্ডার এমডিসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বারিধারায় নির্মাণশ্রমিককে গাড়িচাপা: অবশেষে গ্রেপ্তার সেই কিশোর চালক ট্রাম্প আমাদের ‘সন্ত্রাসী’ বলেছেন, অথচ আমরাই সন্ত্রাসের শিকার: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান অবশেষে ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ এনওসি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে অচল চুয়েট, চলছে দ্বিতীয় দিনের শাটডাউন বোয়িং থেকে আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান, আজ চুক্তি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ৫ প্রস্তাব
Skip to content

ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল এক ঘণ্টা

ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সরকারের দেয়া কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে সাপ্তাহিক ছুটি শুক্র ও শনিবারের সঙ্গে রোববারও বন্ধ থাকছে ব্যাংক লেনদেন। আগামী এক সপ্তাহের জন্য ব্যাংক লেনদেনের সময়েও পরিবর্তন আনা হয়েছে। আজ বুধবার থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত এক ঘণ্টা বৃদ্ধি করে ব্যাংক লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। এছাড়া ব্যাংকের আনুষঙ্গিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। মঙ্গলবার (৬ জুলাই) পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর লেনদেন চলছে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ সাইট সুপারভিশন-ডিওএস থেকে এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী বরাবর পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়, ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে অত্যাশকীয় বিভাগসমূহ, যথাসম্ভব সীমিত লোকবলের মাধ্যমে খোলা রাখতে হবে। ব্যাংকের প্রিন্সিপ্যাল বা প্রধান শাখা এবং সকল বৈদেশিক বাণিজ্য শাখা (এডি শাখা) সীমিত সংখ্যক অত্যাবশ্যকীয় লোকবলের মাধ্যমে খোলা রাখতে হবে। রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকসমূহের ক্ষেত্রে ব্যাংক ব্যবস্থাপনা বিবেচনায় প্রতিটি জেলা সদর ও উপজেলায় একটি করে শাখা খোলা রাখা যাবে। আর অন্যান্য সকল ব্যাংকের ক্ষেত্রে জেলা সদরে একটি শাখা খোলা রাখতে হবে এবং জেলা সদরের বাইরে ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় অনধিক দুটি শাখা খোলা রাখা যাবে। কার্ডের মাধ্যমে লেনদেন ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। এটিএম বুথে সার্বক্ষণিক পর্যাপ্ত নোট সরবরাহসহ সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। নির্দেশনায় আরও উল্লেখ করা হয়, বিধিনিষেধ চলাকালে নিম্নোক্ত ব্যাংকিং সেবা চালু রাখতে হবে- গ্রাহকদের হিসাবে নগদ বা চেকের মাধ্যমে অর্থ জমা ও উত্তোলন, ডিমান্ড ড্রাফট বা পে-অর্ডার ইস্যু ও জমা গ্রহণ, বৈদেশিক রেমিট্যান্সের অর্থ পরিশোধ, সরকারের বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের আওতায় প্রদত্ত ভাতা বা অনুদান বিতরণ, একই ব্যাংকের খোলা রাখা বিভিন্ন শাখা ও একই শাখার বিভিন্ন হিসাবের মধ্যে অর্থ স্থানান্তর, ট্রেজারি চালান গ্রহণ, অনলাইন সুবিধা সম্বলিত ব্যাংকের সকল গ্রাহকের এবং ওই সুবিধা-বহির্ভূত ব্যাংকের খোলা রাখা শাখার গ্রাহকদেরকে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক চালু রাখা বিভিন্ন পেমেন্ট সিস্টেমস বা ক্লিয়ারিং ব্যবস্থার আওতাধীন অন্যান্য লেনদেন সুবিধা প্রদান এবং জরুরি বৈদেশিক লেনদেন সংক্রান্ত কার‌্যাবলী। সমুদ্র/স্থল/বিমানবন্দর এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা বা উপশাখা বা বুথসমূহ সার্বক্ষণিক খোলা রাখার বিষয়ে ৫ আগস্ট ২০১৯-এ জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার লেটার নং-২৪ অনুসারে স্থানীয় প্রশাসনসহ বন্দর বা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনাক্রমে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালন নিশ্চিতপূর্বক যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বিধিনিষেধ চলাকালে যেসব শাখা বন্ধ থাকবে সেসব শাখার গ্রাহকসেবা কার্যক্রম খোলা রাখার জন্য শাখার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বন্ধকৃত শাখার গ্রাহক সেবাপ্রাপ্তির বিষয়ে অবহিত করতে ওই শাখার দৃশ্যমান স্থানে তা বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রদর্শন নিশ্চিত করতে হবে। সকল খোলা রাখা শাখার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি পরিপালনপূর্বক সীমিত সংখ্যক লোকবলের মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে হবে। বিধিনিষেধ চলাকালে ব্যাংকের কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের স্ব স্ব অফিসে আনা-নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ব্যাংক কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের চলাচলের সময় স্ব স্ব প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত পরিচয়পত্র বহন করতে হবে। ১৬ জুন ২০২১ তারিখে জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার লেটার নং-২৫ এর কার্যকারিতা রহিত করা হয়েছে। ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।