সাম্প্রতিক
স্টুডেন্ট ভিসায় পরিবার নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া ভারতে পলাতকরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন উপনির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ মৃত্যু, জুলাইয়ের তুলনায় প্রাণহানি বেড়েছে ইরানে মার্কিন হামলায় ‘যুদ্ধাপরাধের’ তথ্য পেল জাতিসংঘ, কাঠগড়ায় তেহরানও সর্বজনীন পেনশন স্কিমের মুনাফা সামান্য বাড়াল সরকার, মিলবে যেসব সুবিধা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক-আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত: সংসদীয় কমিটি পশ্চিমবঙ্গে ‘আসসালামু আলাইকুম’-‘ইনশাআল্লাহ’ বলার বিতর্কের মধ্যে নারী মুসলিম পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি গুলশান ও ধানমন্ডিসহ রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ
Skip to content

ছেলের বান্ধবীকে বিয়ে করে ফের আলোচনায় উপজেলা চেয়ারম্যান

ছেলের বান্ধবীকে বিয়ে করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা সাঈদ মেহেদী। বিষয়টি তিনি বিভিন্ন সময় অস্বীকার করলেও সম্প্রতি ফেসবুকের মাধ্যমে বিয়ের সময়ের একটি দৃশ্যের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এরপর তিনি বিষয়টি স্বীকার করেন।

সাঈদ মেহেদী কালিগঞ্জ উপজেলা পরিষদ মৌতলা গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি পদে দায়িত্বে রয়েছেন। এছাড়া তিনি মৌতলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ছিলেন।

দ্বিতীয় স্ত্রীর তাহমিনা আক্তার মিনা (২২) মৌতলা ইউনিয়নের আব্দুল মাজেদের মেয়ে। বর্তমানে তিনি খুলনা বিএল কলেজের শিক্ষার্থী।

জানা গেছে, চেয়ারম্যান সাইদ দ্বিতীয় বিয়ের পর থেকেই তার প্রথম স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে তার বিরোধ চলছে। এদিকে দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন সাঈদ মেহেদীর প্রথম ঘরের ছেলে অনিক মেহেদীর বান্ধবী। ২০১৮ সালে তহমিনা ও অনিক মৌতলা শিমুরেজা এমপি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বিয়ের বিষয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী বলেন, সরকারি কোয়ার্টারে তার দ্বিতীয় স্ত্রী অবস্থান করছেন। তাকে চার বছর আগে বিয়ে করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

উপজেলা চেয়ারম্যানের প্রথম স্ত্রী লাভলী পারভীন জানান, তার স্বামীকে ফাঁদে ফেলে বিয়ে করেছে ওই তরুণী। এখন তিনি উপজেলা চেয়ারম্যানের কোয়ার্টারে অবস্থান করছে।

কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম মোস্তফা বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান আবার বিয়ে করেছেন এমন খবর আমার জানা নেই।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে সাতক্ষীরা শহরের একটি আবাসিক হোটেলে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে সদর থানায় মামলা হয়েছিল উপজেলা চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদীর বিরুদ্ধে।

—ইউএনবি