সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

ক্যাম্ফারের অলরাউন্ড নৈপুন্যে আশা বাঁচিয়ে রাখলো আয়ারল্যান্ড

অনলাইন ডেস্ক :

কার্টিস ক্যাম্ফারের অলরাউন্ড নৈপুন্যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে খেলার আশা বাঁচিয়ে রেখেছে আয়ারল্যান্ড। বুধবার ‘বি’ গ্রুপে প্রথম রাউন্ডে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে আয়ারল্যান্ড ৬ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়েছে স্কটল্যান্ডকে। প্রথমে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৭৬ রান করে স্কটিশরা। জবাবে ক্যাম্ফারের ৩২ বলে অপরাজিত ৭২ রানে ১ ওভার বাকী থাকতেই জয়ের স্বাদ পায় আয়ারল্যান্ড। বল হাতেও ৯ রানে ২ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরাও হয়েছেন ক্যাম্ফার। এই জয়ে ২ খেলায় ১ জয়-হারে ২ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয়স্থানে থাকলো আয়ারল্যান্ড। একই চিত্র স্কটল্যান্ডের। রান রেটে এগিয়ে তৃতীয়স্থানে তারা। এতে সুপার টুয়েলভে খেলার আশা বেঁচে থাকলো দু’দলেররই। হোবার্টে বেলেরিভ ওভালে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে স্কটল্যান্ড। দলীয় ১ রানে প্রথম উইকেট হারালেও দ্বিতীয় উইকেটে ম্যাথু ক্রসকে নিয়ে ৫৯ রানের জুটি গড়েন ওপেনার মাইকেল জোনস। ক্রস ২১ বলে ২৮ রানে আউট হওয়ার পরন মিডল-অর্ডার ব্যাটারদের নিয়ে স্কটল্যান্ডকে বড় সংগ্রহ এনে দেন জোনস। তৃতীয় উইকেটে রিচার্ড বেরিংটনকে নিয়ে ৪৮ বলে দলকে ৭৭ রান উপহার দেন জোনস। বেরিংটন ৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৭ বলে ৩৭ রান করে আউট হন। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে ৮৬ রানে আউট হন জোনস। এটি তার ক্যারিয়ার ও এবারের বিশ্বকাপে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রানের ইনিংস। শেষদিকে মাইকেল লিসেক ১৩ বলে অপরাজিত ১৭ রান করলে, ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৭৬ রান তুলে স্কটল্যান্ড। জোনসের ৫৫ বলের ইনিংসে ৬টি চার ও ৪টি ছক্কা ছিলো। বল হাতে আয়ারল্যান্ডের পক্ষে সফল বোলার ছিলেন ক্যাম্ফার। ২ ওভারে ৯ রানে ২ উইকেট নেন। ১৭৭ রানের টার্গেটে ইনিংস শুরু করে নিয়মিত বিরতি দিয়ে উইকেট হারাতে থাকে আয়ারল্যান্ড। ৯ দশমিক ৩ ওভারে ৬১ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারায় তারা। এরপরই ম্যাচের নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলে আইরিশরা। এমন অবস্থায় ম্যাচ জিততে ৬ উইকেট হাতে নিয়ে শেষ ১০ ওভারে ১১২ রান দরকার পড়ে আয়ারল্যান্ডের। চাপে পড়লেও হাল ছাড়তে চাননি ক্যাম্ফার। ছয় নম্বরে নামা জর্জ ডকরেলকে নিয়ে লড়াই শুরু করেন ক্যাম্ফার। স্কটল্যান্ডের বোলারদের উপর চাপ বাড়াতে পাল্টা আক্রমনাত্মক হয়ে উঠে ব্যাট হাতে তান্ডব চালান ক্যাম্ফার। ১১ থেকে ১৫ ওভারে ৬০ রান তুলেন ক্যাম্ফার-ডকরেল। এতে শেষ ৫ ওভারে ৫২ রান দরকার পড়ে আয়ারল্যান্ডের। পরের চার ওভারেই ৫২ রান তুলে দলের জয় নিশ্চিত করেন ক্যাম্ফার-ডকরেল। টি-টোয়েন্টিতে প্রথম হাফ-সেঞ্চুরি পাওয়া ইনিংসে ৩২ বলে ৭২ রান করেন ক্যাম্ফার। ৭টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন তিনি। ৪টি চার ও ১টি ছক্কায় ২৭ বলে অপরাজিত ৩৯ রান করেন ডকরেল। আগামী ২১ অক্টোবর গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হবে আয়ারল্যান্ড। একই দিন জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খেলবে স্কটল্যান্ড।