সাম্প্রতিক
রূপপুরের ইউরেনিয়ামবাহী বিমানকে আটকে দেওয়ার কারণ জানাল পাকিস্তান হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি বাংলাদেশ-ভারতের, তৃতীয় দেশের প্রয়োজন নেই: তথ্য উপদেষ্টা ডেঙ্গুর হটস্পট ঢাকার ৩৫ এলাকা, অক্টোবরে বাড়তে পারে ভয়াবহতা শেখ হাসিনার সাবেক সামরিক উপদেষ্টা তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব মধ্যপ্রাচ্য ছাড়তে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে, হুঁশিয়ারি মোজতবা খামেনির আদালত থেকে বেরিয়ে তানজিন তিশা— ‘দরকার হলে আরও পাঁচবার আসব, ন্যায়বিচার নিয়ে বের হব’ আদাবরে চাপাতি নিয়ে বাড়িতে হামলা: পুলিশের অভিযানে গুলিবিদ্ধ ২, গ্রেপ্তার ১০ দলাদলি বন্ধ করুন, নইলে শিক্ষকতা ছেড়ে দিন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ২২ অক্টোবর নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণা তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রক্রিয়া এখনো চূড়ান্ত হয়নি: সংবিধান কমিটির সভাপতি
Skip to content

কালী পূজা: দুই বছর পর লালমনিরহাট সীমান্তে দুই বাংলার মিলন মেলা

কালী পূজা উপলক্ষে লালমনিরহাটের পাটগ্রামের বাউরা ইউনিয়নের মেচেরঘাট সীমান্তে মঙ্গলবার সকালে দুই বাংলার মানুষের মিলন মেলা হয়েছে। ভারতীয় সীমান্ত বাহিনী বিএসএফ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) উদ্যোগে দুই বছর পর এই মিলন মেলা হয়।

দুই বাংলার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার দু-পাশে দাঁড়িয়ে তাদের আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে দেখা করেন। এ সময় সকাল সাড়ে ৯ টায় দীপালী রানী নামে এক নারীর তার খালাতো বোনের ছেলে জয়ধর বাবুর সঙ্গে দেখা হয়। দেখা হলেও ভাগ্নেকে জড়িয়ে ধরে আদর করেতে পারেননি তিনি। কারণ তাদের মাঝে বাঁধা হয়ে দাড়িয়েছে কাঁটাতার।

ভাগ্নের সঙ্গে দেখা করে ফেরার পথে দীপালী রানী জানান, ১৯৪৭ সালে দেশ ভাগের সময় তার খালা-খালু ভারতে চলে যায়। সেই সময় ছোট খালা দুই বোনের সঙ্গে শেষ দেখা হয়। কয়েক বছর আগেও একবার খালাতো বোনের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। কিন্তু গত বছর তার সেই খালাতো বোন মারা গেলেও যেতে পারেননি তিনি। আজ তার ভাগ্নেদের কাছে পেলেও ছোঁয়ে দেখতে পারেননি।

দুই বছর বন্ধ থাকার পর এ বছর জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা ইউনিয়নের মেচেরঘাট সীমান্তে কালী পূজা উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে দুই বাংলার এ মিলন মেলা বসে।

শুধু দীপালী রানী নয়, তার মত শত শত মানুষ সীমান্তে ছুটে এসেছে রক্তের টানে। দীর্ঘদিন পর কাছের লোকজনদের দেখতে পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। তারা একে অপরকে জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তবে অনেকই প্রাণের টানে ছুটে এলেও আত্মীয়দের দেখা না পেয়ে মন খারাপ করেও ফিরে গেছেন।

মিলন মেলায় আসা সফিকুল ইসলাম ও রবিন্দ্র নাথ জানান, বছরে একটা দিন আমরা কালী পূজা উপলক্ষে আমাদের আপন জনের দেখা করার সুযোগ পাই, তা যেন অব্যাহত থাকে। আইনের জটিলতা দিয়ে যেন এ মিলন মেলা বন্ধ না হয়।

তারা আরও বলেন, বছরে এমন একটি মিলনমেলা আমাদের মানবিক পৃথিবী তৈরিতে ভূমিকা রাখবে।

পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান রবিউল হক মিরন বলেন, এ সীমান্তে প্রতিবছর কালী পূজা উপলক্ষে দুই বাংলার মিলন মেলা বসে। এতে অনেকেই তাদের পুরাতন আত্মীয় স্বজনের দেখা করতে পেয়ে বেশি খুশি মনে বাড়ি ফিরেন। এটা অব্যাহত থাকা প্রয়োজন।

—-ইউএনবি