সাম্প্রতিক
বিএনপি চাঁদাবাজ দল—এটা ‘ঢালাও’ অভিযোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ ৫৩৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান-শায়ানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ভারতের উত্তর প্রদেশে ভারি বৃষ্টিতে ৫৬ মৃ’ত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারের বেশি বাড়িঘর সংবিধান সংশোধনে আবারও গণভোট হবে: বিশেষ কমিটি ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুলের সঙ্গে আ’লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীদের যাতায়াত সুবিধায় সড়কে নামছে আরও ১০০ পিংক বাস আগামী দুই মাসে জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরের প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে ৮ মাসে ৭২৩ চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তে প্রমাণ মিলেছে ৮৫ শতাংশের
Skip to content

দিনাজপুর শহরে দম্পতির লাশ উদ্ধার

দিনাজপুর শহরের একটি বাড়ি থেকে এক দম্পতির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে শহরের মুন্সিপাড়ার লিলি মোড়ের কাছ থেকে লাশটি উদ্ধার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

নিহতরা হলেন- মজিবর রহমান ও তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৫৫) নগরীর বাসিন্দা। তারা অ্যাডভোকেট নিলুফার রহিমের বাড়ির মুন্সিপাড়া এলাকায় কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করতেন।

জানা গেছে, দুজনের মধ্যে স্ত্রীকে জবাই করা ও স্বামীকে ফাঁসিতে ঝুলানো অবস্থায় পাওয়া গেছে। এ ঘটনার রহস্য উম্মোচনে সিআইডির ক্রাইম সিনের ফরেনসিক বিভাগ ও পিবিআইয়ের সহায়তা নিয়েছে থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে। তবে হত্যার এঘটনার বিষয়ে তাৎক্ষণিক ভাবে কারণ জানতে পারেনি পুলিশ।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মমিনুল করিম জানিয়েছেন, ঢাকায় বসবাসরত বাড়ির মালিক অ্যাডভোকেট নীলুফার রহিম পুলিশের জরুরি সেবা সার্ভিস ৯৯৯-এ তার বাড়িতে কিছু একটা ঘটেছে বলে অভিযোগ জানান। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার রাতে ওই বাড়িতে গিয়ে স্বামী-স্ত্রীর লাশ দেখতে পায় কোতোয়ালি থানা পুলিশ।

শুক্রবার সকালে সিআইডির ক্রাইম সিনের ফরেনসিক বিভাগ ও পুলিশ ইনভেস্টিগেশন ব্যুরো’র (পিবিআই) সহায়তায় আলামত সংগ্রহ শেষে লাশের সুরহতাল রিপোর্ট করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে মর্গে পাঠান তারা। ফরেনসিক ও ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে আসার পর জোড়া লাশের রহস্য জানা যাবে বলে আশা করছেন তারা। তবে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যের জেরে ওই ঘটনা ঘটেছে কিনা তাও ক্ষতিয়ে দেখছেন তারা।

এদিকে ছেলে সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রায় ১৫ বছর ধরে ঘটনাস্হলে কর্মরত রয়েছেন তার বাবা মজিবর রহমান। তবে বাবা-মার এসব বিষযে কোনো ধারণা করতে পারছে না সে।

—ইউএনবি