সাম্প্রতিক
বাংলাদেশ-ভারতের সম্পর্ক নতুন করে তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মার্কিন ভিসা নিয়ে দুঃসংবাদ, পৌনে ২ লাখ ভিসা বাতিল করল যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ভয়ে তুরস্ক ছাড়ার সময় বিমান বদলেছিলেন ট্রাম্প একাত্তর টিভির চেয়ারম্যান-সিওওসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে সমন সপ্তাহে একদিন শিক্ষার্থীদের জন্য ফ্রি থাকবে জুলাই জাদুঘর গাজী নজরুলের এমপি পদ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনে যাচ্ছে সংসদ সচিবালয়ের চিঠি সৌরভ ও ডোনাকে হত্যার হুমকি, কলকাতা পুলিশের তদন্ত শুরু বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, পাল্টা দুই ভারতীয় কৃষককে আটক গ্রামবাসীর বেসরকারি খাতকে জ্বালানি তেল আমদানির সুযোগ দেবে সরকার
Skip to content

নাটকীয় ম্যাচে আবাহনীর টাইব্রেকারে জয়

অনলাইন ডেস্ক :

ফেডারেশন কাপ ফুটবলে ‘সি’ গ্রুপ থেকে আগেই আবাহনী লিমিটেড, শেখ রাসেলের কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত হয়েছে।  মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ছিল গ্রুপ সেরা হওয়ার লড়াই। নাটকীয় সেই ম্যাচ টাইব্রেকারে জিতেছে আবাহনী লিমিটেড। নির্ধারিত সময়ে ৩-৩ গোলে ম্যাচ অমীমাংসিত ছিল। টাইব্রেকারে ফল নিষ্পত্তি হয়েছে ষষ্ঠ শটে। সেখানে আবাহনী ৫-৪ গোলে শেখ রাসেলকে হারিয়ে গ্রুপ সেরার মর্যাদা পেয়েছে। টাইব্রেকারে প্রথম ৫টি শটের মধ্যে দু’দলই চারটি করে গোল পেয়েছে। ষষ্ঠ শট নিতে এসে শেখ রাসেলের ইয়াসিন খান পোস্টের নিচে মেরে দলকে হতাশ করেছেন। বিপরীতে রেজাউল করিম গোল করে আবাহনীর জয় নিশ্চিত করেছেন। এর আগে মঙ্গলবার গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হকি মনি স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে আবাহনী কিছুটা দাপট দেখিয়েছে। শুরুরর দিকে পিটার নোরাহ সুযোগ পেয়েও লক্ষ্যে শট নিতে পারেননি। মূলত প্রতিপক্ষ গোলকিপার আশরাফুল এসে তা নস্যাৎ করে দিয়েছেন। আবাহনী লিমিটেড এগিয়ে গেছে ১৬ মিনিটে। ফয়সাল আহমেদ ফাহিমের নিচু ক্রস থেকে চলতি বলে আলতো করে প্লেসিং করে দেন মেহেদি হাসান রয়েল। চার মিনিট পর সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিল শেখ রাসেল। কিন্তু সতীর্থের কাটব্যাক থেকে এমফন উদোহ শরীর ঘুরিয়ে শট নিলে আবাহনীর গোলকিপার শহিদুল আলম সোহেল সেটি তালুবন্দি করেছেন। ২৭ মিনিটে এমফন উদোহর আরও একটি শট ক্রস বারের ওপর দিয়ে গেছে। প্রথমার্ধের শেষ দিকে আবারও আক্রমণে গেছে আবাহনী। তবে জীবনের কর্নারে রেজাউলের সাইড ভলি থেকে পা ছোঁয়াতে পারেননি কিংসলে। বিরতির পরই হয়েছে একের পর এক গোল। তবে এক দল গোল দিয়ে এগিয়ে গেলে আরেক দল সেটি পুষিয়ে দিয়েছে। আবাহনী আবার এগিয়ে যায় ৪৯ মিনিটে। রয়েলের পাসে লক্ষ্যভেদ করেছেন কিংসলে। একজন ডিফেন্ডার শরীরের সঙ্গে সেঁটে থাকলেও তাকে আটকাতে পারেননি। শেখ রাসেল অবশেষে প্রথম গোলটি দিয়েছে ৬৬ মিনিটে। উদোহর সঙ্গে ওয়ান টু খেলে দীপক রায় বক্সে ঢুকে গোলকিপারের পাশ দিয়ে দারুণভাবে ফিনিশিং করেছেন। ৭৭ মিনিটে উদোহকে বাধা দেন আবাহনী গোলকিপার শহিদুল। তাতে পেনাল্টির নির্দেশ দেন রেফারি। স্পট কিক থেকে চার্লস দিদিয়ের গোলকিপারের বিপরীত দিক দিয়ে জোরালো শটে শেখ রাসেলকে সমতায় ফিরিয়েছেন। ৮৪ মিনিটে উদোহর কাটব্যাক থেকে খালেকুজ্জামান প্লেসিং শটে গোল করে শেখ রাসেলকে ৩-২ গোলে এগিয়ে নেন। শেষ দিকে যখন রাসেলের জয়ের সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে তখনই নাটকীয়তার জন্ম দেন আবাহনীর পিটার নোরাহ। ৮৯ মিনিটে কলিনদ্রেসের কাটব্যাক থেকে পিটার নোরাহ শুরুতে হেডে তারপর পা বাড়িয়ে লক্ষ্যভেদ করে দলের হার এড়িয়েছেন। দুই দলের পয়েন্ট ও গোলগড় সমান হওয়ায় তখন টাইব্রেকারে নিষ্পত্তি করতে হয়েছে ম্যাচের ফল। সেখানে জয় হয়েছে আবাহনীর।