সাম্প্রতিক
বিএনপি চাঁদাবাজ দল—এটা ‘ঢালাও’ অভিযোগ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলা সিনেমার মতো ‘ঘটনা ঘটার পরে পুলিশ এসেছে’: আসিফ মাহমুদ সালমান মুক্তাদিরের স্টুডিও ভাঙচুর: মূল পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ৪ ৫৩৮ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান-শায়ানসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ভারতের উত্তর প্রদেশে ভারি বৃষ্টিতে ৫৬ মৃ’ত্যু, ক্ষতিগ্রস্ত হাজারের বেশি বাড়িঘর সংবিধান সংশোধনে আবারও গণভোট হবে: বিশেষ কমিটি ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ওসি রাকিবুলের সঙ্গে আ’লীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারীদের যাতায়াত সুবিধায় সড়কে নামছে আরও ১০০ পিংক বাস আগামী দুই মাসে জাপান, তুরস্ক ও সৌদি আরব সফরের প্রস্তুতি প্রধানমন্ত্রীর রাজধানীতে ৮ মাসে ৭২৩ চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তে প্রমাণ মিলেছে ৮৫ শতাংশের
Skip to content

চীনের উইঘর মুসলিমদের ওপর অত্যাচারের প্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন

জেলা প্রতিনিধি, সিলেট:

চীনের জিনজিয়াং প্রদেশে উইঘর মুসলিমদের ওপর বর্বরোচিত হামলা, আটক , জাতিগত নিধন ও অত্যাচারের প্রতিবাদে সিলেটে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে।

বুধবার (৫ জুলাই) উইঘর মুসলিমদের গনহত্যা (উইকমিরি ম্যসাকার) দিবস উপলক্ষে মানবাধিকার সংরক্ষণ পরিষদ সিলেট এর ব্যানারে নগরীর কোর্ট পয়েন্টে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
জামেয়া দারুরু রাশাদ সিলেট এর প্রিন্সিপাল মাওলানা কায়ছান মাহমুদ আকবরীর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্নমহাসচিব ও সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা আব্দুল মালিক চৌধুরী।
তরুন সংগঠক মাওলানা শাহিদ হাতিমীর পরিচালনায় মানববন্ধনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা গাজী রহমতুল্লাহ, ইসলামী ঐক্যজোট সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা ফয়জুল হক জালালাবাদী।

এ ছাড়া মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন,মাদরাসার শিক্ষার্থী, গণমাধ্যমকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা, অবিলম্বে চীনের হাতে আটক দশ লাখ উইঘর পুরুষকে বন্দিশালা থেকে মুক্তি দেওয়ার জোর দাবি জানান। চীনের উইঘর মুসলিমদের ওপর অত্যাচার বন্ধ্ করে স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকার পথ তৈরী করে দিতে দেশটির সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

মানববন্ধনে উল্লেখ করা হয়, ২০০৯ সালের ৫ জুলাই মুসলিম উইঘুররা তাদের স্বদেশের রাজধানী উরুমকিতে চীনা দখলদার সেনাবাহিনী এবং তার ঔপনিবেশিক হান জনগোষ্ঠীর দ্বারা নির্মমভাবে গণহত্যার শিকার হয়েছিল। ওই যৌথ হামলায় দু হাজারের অধিক উইঘর নারী ও পুরুষ নিহত হয়। পরবর্তি এক সপ্তাহ জুড়ে রাষ্ট্রীয় সাহায্যপুষ্ট হান জনগোষ্ঠী পিটিয়ে কুপিয়ে আরও কয়েক হাজার উইঘর নাগরিকদের হত্যা করে। চীনা মিডিয়া ও রাষ্ট্রীয়ভাবে বিষয়টি গোপন রাখা হলে পরবর্তিতে এই খবর দেশের বাইরে চলে যায়। আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ওই ঘটনায় নিহতের সংখ্যাটি ৭ হাজারের কাছাকাছি বলে উল্লেখ করা হয়। বিশ্বজুড়ে উইঘুর প্রবাসীরা প্রতি বছর দিবসটি স্মরণে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের আয়োজন করে।
বক্তারা বলেন, গত ৭ বছর ধরে কারিগরি শিক্ষা দেওয়ার নামে উইঘর পুরুষদের পরিবার থেকে আলাদা করে জেলে বন্দি করে অত্যাচার চালানো হচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকে জেলখানায় মৃত্যুবরণ করেছেন। অবিলম্বে তাদের মুক্তি দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সুযোগ করে দেওয়ার আহ্বান জানান।