Skip to content

Upcoming
Spain
0-0
Cape Verde
Source: ESPN

দাবানলের মধ্যেই অস্ট্রেলিয়ায় আকস্মিক বন্যার সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক :

অস্ট্রেলিয়ার দক্ষিণ-পূর্বের ভিক্টোরিয়া প্রদেশের কিছু অঞ্চলে দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষ এখন বন্যার সতর্কতা জারি করেছে। ভারি বৃষ্টিপাতের কারণে আগুন কিছুটা কমে এলেও দক্ষিণ-পূর্ব প্রদেশের নদীগুলোর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ান ব্যুরো অব মেটিওরোলজি অনুসারে, উত্তর-পূর্ব ভিক্টোরিয়ায় বুধবার (৪ অক্টোবর) বিকেলে আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে। ওই অঞ্চলের প্রায় ১৭ হাজার হেক্টর জমিতে আগুন লেগেছিল। বৃষ্টিতে আগুন কিছুটা কমে এসেছে। ভিক্টোরিয়া স্টেট ইমার্জেন্সি সার্ভিসের প্রধান কর্মকর্তা (অপারেশন) টিম উইবুশের মতে, ওই এলাকা থেকে একজন কৃষককে উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি বন্যার পানির মধ্য দিয়ে গাড়ি চালিয়ে যাওয়ার সময় আটকা পড়েছিলেন।

দক্ষিণ-পূর্বের ভিক্টোরিয়া প্রদেশের কিছু অংশে ১৫০ মিলিলিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে। যা সেপ্টেম্বরে ওই এলাকার গড়ের প্রায় আট গুণ। আজও প্রবল বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা রয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। উইবুশ আরো বলেছেন, ‘সৌভাগ্যবশত আমরা দাবানলের সময় বৃষ্টি দেখতে পেয়েছি। কিন্তু এই বৃষ্টি পরবর্তী ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আকস্মিক বন্যা বয়ে আনতে পারে। নদীতে পানি বেড়ে বন্যা হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা জোর দিয়ে বলতে পারব না কী হবে। তবে জনগণকে সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে।’ ভিক্টোরিয়া প্রদেশের আরো দুটি অংশে দাবানল নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। তবে এই দাবানল আশপাশের বাসিন্দাদের তাৎক্ষণিক কোনো হুমকির মধ্যে ফেলবে না বলে আশা করা যায়। এর আগে ভিক্টোরিয়া প্রদেশের গিপসল্যান্ড অঞ্চলের পূর্ব অংশে প্রবল বাতাসের কারণে মঙ্গলবার প্রায় ১৭ হাজার হেক্টর (৬৬ বর্গমাইল) এলাকায় দাবানল ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছিল প্রাদেশিক দমকল কর্তৃপক্ষ।

পরে এই সংস্থা সেখানে ৬৫০ জন দমকলকর্মী মোতায়েন করে। কান্ট্রি ফায়ার অথরিটি ভিক্টোরিয়ার চিফ অফিসার জেসন হেফারনান বলেছিলেন, ‘আজ খুব ভোরে আমরা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে কাজে নেমে পড়েছি। বেশ বড় আগুন বিশাল এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। … এটি বেশ কঠিন বলে মনে হচ্ছে, শুধু ব্যক্তিগত সম্পত্তিতেই আগুন জ¦লছে না, কিছু পাইন বাগানও জ¦লছে।’ অন্যদিকে তাসমানিয়া প্রদেশের বাস স্ট্রেইটজুড়ে ফ্লিন্ডার দ্বীপের উত্তর প্রান্তের বাসিন্দাদের দাবানল থেকে সরে যেতে বলা হয়েছে। মূলত ওই এলাকায় ছড়িয়ে পড়া দাবানল নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে। সূত্র : আলজাজিরা