Skip to content

ইসরাইলের সমালোচনা করলে কি যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা মিলবে না?

ইসরাইলের সমালোচনা করলে কি যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা মিলবে না—ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন ভিসানীতির ঘোষণার পর এমন প্রশ্নই এখন আলোচনায় এসেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নীতিতে সরাসরি ইসরাইলের সমালোচনাকে ভিসা অযোগ্যতার কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি; বরং ইহুদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণা, বিদ্বেষ বা সহিংসতা উসকে দেওয়ার অভিযোগে বিদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে কড়াকড়ির কথা বলা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে ইহুদি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা জোরদারে নতুন ও কঠোর ভিসানীতির ঘোষণা দিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণা, বিদ্বেষ বা সহিংসতা উসকে দেন—এমন বিদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে না।

সম্প্রতি রুবিওর এমন বক্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, ইসরাইলের সমালোচনা করলে যুক্তরাষ্ট্র ভিসা দেবে কি না।

এক ভিডিও বার্তায় রুবিও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন ইহুদি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করবে না।

তার ভাষায়, যারা ইহুদিবিদ্বেষ ছড়ায় বা সহিংসতাকে উৎসাহিত করে, তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দরজা বন্ধ থাকবে।

রুবিওর দাবি, ইসরাইলবিরোধী কিছু উগ্র বক্তব্য প্রায়ই সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর প্রচারসামগ্রীর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। ইসরাইলকে ঘিরে বিদ্বেষমূলক প্রচারণায় আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিভিন্ন রাষ্ট্রের ভূমিকাও ওয়াশিংটন আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে বলে জানান তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত প্রসঙ্গে রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনো ‘আব্রাহাম চুক্তি’ আরও বিস্তারের মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার আশা করছে।

তার মতে, আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরাইলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ ভবিষ্যতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এনএনবাংলা/