সাম্প্রতিক
নভেম্বরে দিল্লি সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্ষমা না চাইলেও একাত্তরের অবস্থান মেনে নিয়েছে জামায়াত: আইনমন্ত্রী দিল্লিতে শেখ হাসিনা-আওয়ামী লীগ নেতাদের বৈঠক বাতিল, নেপথ্যে কী? দলের নাম ও প্রতীক দুটোই হাতছাড়া মমতার ব্যবসায়ীদের চাপে ‘গুজরাটের ইলিশ’ আমদানি, জানত না মন্ত্রণালয় বাজারে উধাও ১ লিটারের সয়াবিন, খোলা তেলের দামও চড়া গুমের আন্তর্জাতিক তদন্ত চাওয়া বিএনপি এখন তা চায় না: নাহিদ ইসলাম পাকিস্তানে জ্বালানি সংকট: সরকারি ভোজ নিষিদ্ধ ও বিয়ের দাওয়াতে এক পদ গুচ্ছ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৯ মার্চ লবণাক্ততায় হারাচ্ছে সুন্দরবনের ঔষধি গাছ, বিলুপ্তির পথে ভেষজ চিকিৎসা ও জ্ঞান
Skip to content

মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ‘বাইরে থেকে নয়’ আঞ্চলিক দেশগুলোকেই নিশ্চিত করতে হবে: আরাঘচি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। ফাইল ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই নিরাপত্তা এই অঞ্চলের বাইরে থেকে চাপিয়ে দেওয়া বা নির্ধারণ করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি বলেছেন, বহিরাগত পরাশক্তির সামরিক উপস্থিতি কিংবা তাদের ইচ্ছা চাপিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সংলাপ, পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও শ্রদ্ধার মাধ্যমেই টেকসই নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ইন্দোনেশিয়ার ‘গ্লোবাল টাউন হল ২০২৬’ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার সময় এসব কথা বলেন আব্বাস আরাঘচি।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বড় পরাশক্তিগুলোর স্বার্থের প্রয়োজনে যদি আন্তর্জাতিক আইনকে উপেক্ষা করা হয়, তাহলে সেখানে আইনের শাসনের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো যদি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে এবং আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে ব্যর্থ হয়, তাহলে এসব প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতা ও বৈধতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া স্বাভাবিক।

আব্বাস আরাঘচি বলেন, বর্তমান বিশ্বে এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে বহুপাক্ষিকতার প্রয়োজন বেশি। প্রতিটি যুদ্ধের ব্যয় শুধু রণক্ষেত্রের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না; এর প্রভাব বহু দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

তিনি বলেন, যুদ্ধ পরিচালনার খরচ করদাতারা বহন করলেও এর সবচেয়ে বড় মূল্য পরিশোধ করেন সাধারণ মানুষ। তাদের জীবন, রক্ত, ঘরবাড়ি, ভবিষ্যৎ ও নিরাপত্তার ওপর যুদ্ধের গভীর প্রভাব পড়ে।

বক্তব্যের শেষে আরাঘচি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই নিরাপত্তা অর্জন করতে হলে বহিরাগত পরাশক্তির সামরিক উপস্থিতি ও তাদের ইচ্ছা চাপিয়ে দেওয়ার পথ পরিহার করতে হবে। এর পরিবর্তে আঞ্চলিক দেশগুলোর মধ্যে সংলাপ, আস্থা বৃদ্ধি, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে নিরাপত্তা কাঠামো গড়ে তুলতে হবে।

এনএনবাংলা/