সাম্প্রতিক
স্টুডেন্ট ভিসায় পরিবার নেওয়ার সুযোগ বন্ধ করছে অস্ট্রেলিয়া ভারতে পলাতকরা যাতে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে না পারে: হাইকমিশনারকে মাহ্দী আমিন উপনির্বাচনে থাকবে সেনাবাহিনী, জুনের আগেই ইউপি নির্বাচন: ইসি আগস্টে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৮১ মৃত্যু, জুলাইয়ের তুলনায় প্রাণহানি বেড়েছে ইরানে মার্কিন হামলায় ‘যুদ্ধাপরাধের’ তথ্য পেল জাতিসংঘ, কাঠগড়ায় তেহরানও সর্বজনীন পেনশন স্কিমের মুনাফা সামান্য বাড়াল সরকার, মিলবে যেসব সুবিধা শেখ হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক-আইনগত উদ্যোগ অব্যাহত: সংসদীয় কমিটি পশ্চিমবঙ্গে ‘আসসালামু আলাইকুম’-‘ইনশাআল্লাহ’ বলার বিতর্কের মধ্যে নারী মুসলিম পুলিশ কর্মকর্তাকে বদলি গুলশান ও ধানমন্ডিসহ রাজধানীর একাধিক লেকের দূষণ রোধে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ
Skip to content

হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার শঙ্কা

পাকিস্তানে জুমার নামাজের বোমা হামলায় নিহত ১৬

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কোহাট জেলায় একটি মসজিদে ভয়াবহ বোমা হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন বেসামরিক নাগরিক এবং পাঁচজন পুলিশ সদস্য। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক মানুষ। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জুমার নামাজের সময় হামলা

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের সময় কোহাট জেলার পুরোনো পুলিশ লাইন এলাকার একটি মসজিদের কাছে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় মসজিদে মুসল্লিরা নামাজ আদায়ের জন্য জড়ো হয়েছিলেন।

পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি পুলিশ স্থাপনার গেটে ধাক্কা দেওয়ার পর বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে মসজিদের বাইরের অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং একটি দেয়াল ধসে পড়ে। ঘটনাস্থলে বড় ধরনের গর্তও তৈরি হয়েছে।

হামলার পরও গোলাগুলি

বিস্ফোরণের পর হামলাকারী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। পুলিশের গুলিতে একজন হামলাকারী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। হামলার পর ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং উদ্ধার অভিযান চলছে।

জেলা সদর হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হাসপাতালে ১৫টি মরদেহ এবং ৫০ জনের বেশি আহতকে নেওয়া হয়েছে। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হামলার পর হাসপাতালে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

এখনো দায় স্বীকার করেনি কোনো গোষ্ঠী

এখন পর্যন্ত কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে খাইবার পাখতুনখাওয়া অঞ্চলে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সক্রিয় এবং অতীতেও তারা দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তবে এই হামলার সঙ্গে টিটিপির সম্পৃক্ততা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

কর্তৃপক্ষ হামলার পর ঘটনাস্থল ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। উদ্ধার ও নিরাপত্তা অভিযান অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা এবং হামলার বিস্তারিত নিয়ে আরও তথ্য আসতে পারে।

এনএনবাংলা/