সাম্প্রতিক
ভূমিকম্প মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর রাতেই উপকূল পাড়ি দিতে পারে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঘোষণা হতে পারে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে গার্মেন্টস মালিকদের বৈঠক মিরপুরে সড়কে নামার চেষ্টা শ্রমিকদের, পুলিশের ধাওয়া–কাঁদানে গ্যাসে ছত্রভঙ্গ পোশাকশিল্প ধ্বংসের পাঁয়তারা চলছে, সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের শূন্য ঘোষিত সংরক্ষিত নারী আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত এলিজা জামান ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪০৫ ট্রাম্পের বাসভবনের কাছে ‘ক্ষেপণাস্ত্রের মতো’ আছড়ে পড়ল উড়োজাহাজ, নিহত সব আরোহী
Skip to content

হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়ার শঙ্কা

পাকিস্তানে জুমার নামাজের বোমা হামলায় নিহত ১৬

ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের কোহাট জেলায় একটি মসজিদে ভয়াবহ বোমা হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১১ জন বেসামরিক নাগরিক এবং পাঁচজন পুলিশ সদস্য। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক মানুষ। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জুমার নামাজের সময় হামলা

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের সময় কোহাট জেলার পুরোনো পুলিশ লাইন এলাকার একটি মসজিদের কাছে এ হামলার ঘটনা ঘটে। ওই সময় মসজিদে মুসল্লিরা নামাজ আদায়ের জন্য জড়ো হয়েছিলেন।

পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, বিস্ফোরকভর্তি একটি গাড়ি পুলিশ স্থাপনার গেটে ধাক্কা দেওয়ার পর বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণে মসজিদের বাইরের অংশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং একটি দেয়াল ধসে পড়ে। ঘটনাস্থলে বড় ধরনের গর্তও তৈরি হয়েছে।

হামলার পরও গোলাগুলি

বিস্ফোরণের পর হামলাকারী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। পুলিশের গুলিতে একজন হামলাকারী নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। হামলার পর ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং উদ্ধার অভিযান চলছে।

জেলা সদর হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হাসপাতালে ১৫টি মরদেহ এবং ৫০ জনের বেশি আহতকে নেওয়া হয়েছে। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। ফলে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। হামলার পর হাসপাতালে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

এখনো দায় স্বীকার করেনি কোনো গোষ্ঠী

এখন পর্যন্ত কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে খাইবার পাখতুনখাওয়া অঞ্চলে তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) সক্রিয় এবং অতীতেও তারা দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী ও বিভিন্ন স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। তবে এই হামলার সঙ্গে টিটিপির সম্পৃক্ততা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।

কর্তৃপক্ষ হামলার পর ঘটনাস্থল ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করেছে। উদ্ধার ও নিরাপত্তা অভিযান অব্যাহত থাকায় হতাহতের সংখ্যা এবং হামলার বিস্তারিত নিয়ে আরও তথ্য আসতে পারে।

এনএনবাংলা/