Skip to content

Upcoming
Brazil
0-0
Morocco
Source: ESPN

ইউক্রেন সেনাবাহিনীর প্রধান মনোরোগ বিশেষজ্ঞ গ্রেপ্তার, ১০ লাখ ডলার দুর্নীতির অভিযোগ

গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির বাড়িতে বিপুল পরিমাণ অর্থ পেয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারাছবি: সিকিউরিটি সার্ভিস অব ইউক্রেন (এসবিইউ)

অনলাইন ডেস্ক:
‘অবৈধ সম্পদ বৃদ্ধির’ অভিযোগে ইউক্রেনে দেশটির সেনাবাহিনীর প্রধান মনোরোগ বিশেষজ্ঞকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই মনোরোগ বিশেষজ্ঞের বিরুদ্ধে ১০ লাখ ডলারের বেশি পরিমাণ অর্থ অবৈধভাবে আয়ের অভিযোগ এসেছে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে রাশিয়া ইউক্রেন আক্রমণের পর থেকেই এ আয় হয়েছিল।

ইউক্রেনের প্রধান অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা সিকিউরিটি সার্ভিস অব ইউক্রেন (এসবিইউ) এক বিবৃতিতে বলেছে, কোনো ব্যক্তি সামরিক পরিষেবার জন্য উপযুক্ত কি না, তা নির্ধারণে যে কমিশন গঠিত হয়েছিল, তাতে গ্রেপ্তার হওয়া ওই ব্যক্তি ছিলেন।

এসবিইউয়ের দেওয়া ওই বিবৃতিতে গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম জানানো হয়নি। ওলেহ ড্রুজ নামের এক ব্যক্তিকে এর আগে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মনোরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল। এসবিইউ বলেছে, গ্রেপ্তার হওয়া ওই ব্যক্তির তিনটি অ্যাপার্টমেন্ট আছে রাজধানী কিয়েভ ও এর আশপাশের এলাকায়। আরেকটি আছে ওদেসায়। বাড়ির জায়গা আছে দুটি। আর বিলাসবহুল বিএমডব্লিউ গাড়ি আছে কয়েকটি। তদন্তকারী কর্মকর্তারা তাঁর বাড়িতে গিয়ে অনুসন্ধানের সময় ১ লাখ ৫২ হাজার ডলার এবং ৩৪ হাজার পাউন্ড খুঁজে পেয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি তাঁর এসব সম্পত্তির কথা কোথাও উল্লেখ করেননি। এসব সম্পত্তি তাঁর স্ত্রী, ছেলে-মেয়ে এবং অন্য কিছু ব্যক্তির নামে নিবন্ধিত ছিল। অবৈধ সম্পদ বৃদ্ধি এবং মিথ্যা ঘোষণার অভিযোগে তাঁর এখন ১০ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।

২০১৭ সালে ড্রুজকে একই ধরনের একটি মামলায় জড়িত করা হয়েছিল। ওই সময়ও তিনি দুটি এসইউভি এবং বেশ কিছু অঘোষিত সম্পত্তি পাওয়া গিয়েছিল। আর এ কারণে তাঁকে বরখাস্ত করা হয়েছিল। ইউক্রেন দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে আসছে।

মে মাসে ইউক্রেনের এক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ২ লাখ ২০ হাজার পাউন্ড আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছিল। অন্যদিকে ২০২৩ সালে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে ৩০ জনেরও বেশি নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ঘুষ গ্রহণ এবং দেশ থেকে মানুষ পাচারের অভিযোগে বরখাস্ত করা হয়েছিল।

গত বছর ইউক্রেনের পার্লামেন্ট সামরিক চিকিৎসা কমিশন বাতিলের পক্ষে ভোট দেয়। ওই সময় বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা সামরিক পরিষেবা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিনিময়ে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে অভিযুক্ত হন। তারপরই এ পদক্ষেপ নেয় পার্লামেন্ট।