Skip to content

Upcoming
Qatar
0-0
Switzerland
Source: ESPN

কক্সবাজারে এনসিপির ৪ শীর্ষ নেতা, পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠকের গুঞ্জন

হঠাৎ করেই অতি গোপনে কক্সবাজারে পৌঁছেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চার শীর্ষ নেতা। গোয়েন্দা সংস্থাসহ একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের দাবি, সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠকের উদ্দেশ্যে তারা কক্সবাজারে এসেছেন। বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তুমুল আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে।

কক্সবাজারে আসা এনসিপির নেতারা হলেন, তাসনিম জারা, হাসনাত আবদুল্লাহ, সারজিস আলম ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে করে কক্সবাজারে আসেন এনসিপি নেতারা। কক্সবাজার বিমানবন্দরে কর্মরত একাধিক ফ্লাইট এজেন্সির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন।

এনসিপির নেতারা বর্তমানে কক্সবাজারের ইনানী এলাকায় অবস্থিত পাঁচতারকা হোটেল ‘সী পার্ল রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা’ (রয়েল টিউলিপ) এ অবস্থান করছেন।

বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন হোটেলের এক কর্মকর্তা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, ‘কোনো আগাম ঘোষণা বা রুম বুকিং ছাড়াই মঙ্গলবার দুপুর ১২টার পর অত্যন্ত গোপনে এনসিপির এ চার নেতা হোটেলে প্রবেশ করেন।’

তবে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের উপস্থিতি নিয়ে রয়েল টিউলিপের এ কর্মকর্তা সরাসরি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তার ভাষায়, ‘পিটার হাস সম্ভবত এখনো হোটেলে আসেননি, কিংবা এখানে নেই।’

রয়েল টিউলিপের আরেক কর্মকর্তা বলেন, পিটার হাসের মতো একজনকে হোটেলে দেখা গেছে। তবে, তিনি পিটার হাস কি না তা আমি নিশ্চিত নই।’

এদিকে বিমানবন্দরের একটি সূত্র জানিয়েছে, সাড়ে ৩টার ফ্লাইটে এনসিপির চার শীর্ষ নেতা কক্সবাজার ছাড়বেন।

যদিও বিমান সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, গত ১০ এপ্রিল বাংলাদেশ ছাড়েন পিটার হাস। এরপরে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছেন এমন তথ্য তাদের কাছে নেই।

আরেকটি সূত্র বলছে, পিটার হাসের সঙ্গে বৈঠকের নাম করে কোনো একটি দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করেছে এনসিপির নেতারা।

যদিও, এ সফরকে নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, কারো সঙ্গে দেখা করতে নয়, হুট করে ঘুরতে আসছিলাম। পদযাত্রাতে টায়ার্ড হয়ে গেছিলাম। জাস্ট এমনে একটু সাগর পাড়ে ঘুরতে আসছিলাম। বাট এখানে আইসা দেখি, হোটেলে চেক ইন করে মাত্র বসছি, এর মধ্যেই এ নিউজ দেখতেছি।