সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

বিমানবন্দরের চারপাশে ২৬৩টি অনুমোদনহীন উঁচু ভবন, জানানো হয়েছে রাজউককে

ঢাকার বিমানবন্দরের আশেপাশে ২৬৩টি অনুমোদনবিহীন উঁচু ভবন রয়েছে। এগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব রাজউকের বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক। তিনি বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও  তেজগাঁও পুরাতন বিমানবন্দরের আশেপাশে ‘নো-ফ্লাই জোন’-এ অনুমতি ছাড়া অন্তত ২৬৩টি উঁচু ভবন গত ১০ বছরে নির্মিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) বেবিচক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

চেয়ারম্যান বলেন, যেহেতু ভবন ভাঙার কোনো অনুমতি বেবিচকের নাই, তাই আমরা এই ব্যাপারে রাজউক বারবার চিঠি লিখে জানিয়েছি, এখন এটা ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব রাজউকের।

মাইলস্টোনের দুর্ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাইলস্টোনের আশেপাশে কোনো অনুমোদনবিহীন উঁচু ভবন নেই। মাইলস্টোনের আশেপাশে ১৫০ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত ভবন নির্মাণের অনুমোদন আছে, সেখানে সর্বোচ্চ ১৩৫ ফুট পর্যন্ত উঁচু ভবন আছে।

এ সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধনের বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তারিখ বলতে পারেননি বেবিচক চেয়ারম্যান। তবে তিনি জানিয়েছেন খুব শীঘ্রই এই টার্মিনাল পুরোদমে চালু করার বিষয়ে তারা কাজ করছেন।

তিনি জানান, এখনো জাপানি কনসোটিয়ামের সঙ্গে তৃতীয় টার্মিনাল অপারেশন বিষয়ে দেনদরবার চলছে, সমঝোতা হলে উভয়ের মধ্যে একটি চুক্তি হবে।

বেবিচক চেয়ারম্যান বলেন, এই মুহূর্তে থার্ড টার্মিনাল চালু করাই বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, আমি এখানে যোগদান করার পরপরই সব পক্ষের সঙ্গে এ নিয়ে অনেক বৈঠক করেছি। সবারই স্বার্থ রক্ষা করে টার্মিনালটি চালু করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। দ্রুততার সঙ্গে যেন টার্মিনাল চালু করা যায়, সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

বেবিচক কর্মকর্তাদের দুর্নীতির প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বেবিচকে যে দুর্নীতি হয় না, এটি আমি বলবো না। এটি অস্বীকার করার উপায়ও নেই। কিন্তু  এগুলো রোধে কার্যকর ব্যবস্থা থাকবে। আমার চোখের সামনে দিয়ে কোনো ধরনের দুর্নীতি বা কেউ দুর্নীতি করে পার পাবে না। আমরা সৎ থেকে সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করবো।

কক্সবাজারকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে ঘোষণা ও চালুর বিষয়ে তিনি বলেন, কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দ্রুত চালু হবে। অবকাঠামোগত কাজ এখনও কিছু বাকি আছে। এগুলো চলমান রয়েছে।