সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

শেখ মুজিব ও হাসিনাসংশ্লিষ্ট ৪ শতাধিক বই পুড়িয়ে দিলেন শিক্ষার্থীরা

বরগুনার একটি কলেজের লাইব্রেরি কক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের অসমাপ্ত আত্মজীবনীসহ প্রায় চার শতাধিক আওয়ামী লীগের বিভিন্ন ধরনের বই বের করেছে শিক্ষার্থীরা। পরে বইগুলো আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় তারা।

সোমবার (১৮ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরি কক্ষ থেকে বইগুলো বের করা হয়।

শিক্ষার্থীদের সূত্রে জানা যায়, গত বছরের পাঁচ আগস্ট ছাত-জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এরপর দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ওই সরকারের সকল চিহ্ন মুছে ফেলা হলেও বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরিতে ছিল শেখ মুজিব ও শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের আরও অসংখ্য বই। পরে কলেজের শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে লাইব্রেরিতে খুঁজে প্রায় চার শতাধিক বই বের করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়।

বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কম্পিউটার ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থী ও কলেজ ছাত্র শিবিরের সভাপতি বলেন, লাইব্রেরিতে বঙ্গবন্ধুর কিছু বই ছিল। গত পাঁচ আগস্টের পর ওই বইগুলো থাকার কথা না। স্যারদের সঙ্গেও শিক্ষার্থীরা জানতে চেয়েছে বইগুলো আছে কিনা। তবে তারা বলেছিলেন বইগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পরে লাইব্রেরিতে খুঁজে বইগুলো পাওয়া গেলে কলেজের সামনে নিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়

বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী ও কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক শিহাব হোসাইন বলেন, কলেজের চার তলার একটি লাইব্রেরি রুম থেকে শেখ মুজিবের বিভিন্ন গল্পের বইসহ চার শতাধিক বই বের করা হয়েছে। ছাত্রদলের কলেজ শাখার সদস্য, ছাত্র শিবির, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে এ বইগুলো খুঁজে বের করা হয়। পরে বইগুলো আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।

এ বিষয়ে বরগুনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনিল চন্দ্র কার্তুনিয়া বলেন, দেড় মাসের মতো সময় হয়েছে আমি কলেজে যোগদান করেছি। এর আগে যিনি দায়িত্বে ছিলেন তিনি আমাকে বলেছেন গত সরকারের ওই বইগুলো গুছিয়ে ফেলা হয়েছে। সম্মুখে কোনো বই রাখা নেই। এই অল্প সময়ের মধ্যে কোথায় বই রাখা হয়েছে তা সম্পূর্ণভাবে খোঁজ নিতে পারিনি। তবে জেনেছি গত সরকারের ওই বইগুলো একত্র করে লাইব্রেরিতে আড়াল করে রাখা ছিল। পরে শিক্ষার্থীরা আজকে লাইব্রেরিতে গিয়ে একত্রিত করে ঢেকে রাখা অবস্থায় বইগুলো বের করে পুড়িয়ে ফেলেছে।