সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

আচরণবিধি ভঙ্গ করছে ছাত্রদল, প্রশাসন নির্বিকার: ফরহাদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি ভঙ্গ করছে ছাত্রদল, অথচ প্রশাসন নির্বিকার ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ করেছেন শিবির সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটে’র সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী এস এম ফরহাদ।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে সাংবাদিকদেরকে কাছে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন,‘ভোটকেন্দ্রের ১শ মিটারের ভেতরে প্রচারণা নিষিদ্ধ থাকলেও ছাত্রদল তা করছে। প্রশাসনকে জানানো হলেও তারা কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। সব অভিযোগের ক্ষেত্রেই প্রশাসন নীরবতা দেখাচ্ছে।’

তিনি আরও জানান, ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুল কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট, সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংস্থার প্রতিনিধিদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এ কারণে ওই কেন্দ্রে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

অন্যদিকে, ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের সহ-সভাপতি (ভিপি) পদপ্রার্থী আবু সাদিক কায়েমও একই অভিযোগ করেন। তিনি বলেন, ‘সব প্রার্থী, ভোটার ও নির্বাচন কমিশনকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। অনেক বহিরাগত প্রবেশের চেষ্টা করছে। প্রশাসনকে সামগ্রিক নিরাপত্তার বিষয়টি আরও গুরুত্ব সহকারে দেখতে হবে।’

এদিকে সকাল ৮টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আটটি কেন্দ্রের ৮১০টি বুথে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটকেন্দ্রে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। অনেক শিক্ষার্থী ভিড় এড়াতে সকাল সকাল কেন্দ্রে আসেন।

এবার মোট ভোটার সংখ্যা ৩৯ হাজার ৮৭৪ জন। পাঁচ ছাত্রী হলে ১৮ হাজার ৯৫৯ ভোটের বিপরীতে ১৩ ছাত্র হলে এই সংখ্যা ২০ হাজার ৯১৫ জন।

ডাকসুতে ২৮টি পদের জন্য মোট ৪৭১ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন। প্রতি হল সংসদে ১৩টি করে ১৮টি হলে মোট পদের সংখ্যা ২৩৪টি। এসব পদে ভোটের লড়াইয়ে নেমেছেন ১ হাজার ৩৫ জন। অর্থাৎ সব মিলিয়ে এবার ভোটারদের ৪১টি ভোট দিতে হবে।

এবারের ডাকসু ভোটে আংশিক ও পূর্ণাঙ্গ মিলিয়ে অন্তত ১০টি প্যানেল অংশ নিয়েছে। এর বাইরে স্বতন্ত্র হিসেবে লড়ছেন প্রার্থীদের আরেকটি অংশ।

 

এনএনবাংলা/