সাম্প্রতিক
ফ্রান্সের বিক্ষোভে ভাইরাল ‘বিসমিল্লাহ’ স্লোগান, কেন এত আলোচনা? ১৩ বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেছে ১ লাখ ২৫ হাজার মানুষের ২৫ অক্টোবর থেকে রিয়াদে ফ্লাইট চালু করছে বিমান রামেকে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি, ভোগান্তিতে রোগীরা সাজেকে কাল থেকে অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ প্রতিমা বিসর্জনে বিদায় দেবী দুর্গার, বিষাদে শেষ শারদীয় দুর্গোৎসব সৌদিতে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড: পৃথক অভিযোগে গ্রেপ্তার, কনস্যুলেটের চিঠিতে নতুন তথ্য জিম্বাবুয়ের পর আফগানিস্তানের কাছে হেরে বিদায় বাংলাদেশের ভারতে বিক্ষোভ দমনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ, তদন্ত চায় জাতিসংঘ বিশেষজ্ঞরা জ্বালানি সংকটে চাপে পোশাকশিল্প, ক্রয়াদেশ হারানোর শঙ্কা
Skip to content

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শাখা ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার রাতে শুরু হওয়া এ উত্তেজনা গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাত পর্যন্ত চলে। এতে উভয় পক্ষের কয়েকজন কর্মী আহত হয়েছেন।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত লাবিব নামের এক শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের ১৯তম আবর্তনের শিক্ষার্থী এবং শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মামুন সরকারের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিব আহমেদের অনুসারীদের সঙ্গে সদস্যসচিবের অনুসারী রাশেদুল হাসান রাতুলের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্র হাতে অগ্নিবীণা ও বিদ্রোহী হলের মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থান নেয় এবং ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় জড়ায়। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে এক পক্ষ অগ্নিবীণা হল থেকে বিদ্রোহী হলের দিকে ধাওয়া দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, সংঘর্ষের আগে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিব আহমেদের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের অনুসারীদের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। আহ্বায়ক পক্ষের দাবি, মিছিলটি বানচাল করতেই অপর পক্ষের কয়েকজন কর্মী উসকানি দিয়েছিলেন।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মামুন সরকার বলেন, ঘটনার শুরুতে তিনি ক্যাম্পাসে ছিলেন না। খবর পেয়ে তিনি পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। ক্যাম্পাসে মারামারি বা অরাজকতা কোনোভাবেই কাম্য নয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো পক্ষ নিজেদের স্বার্থে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারে।

অন্যদিকে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিব আহমেদ বলেন, ক্যাম্পাসে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কোনো অনুসারী যাতে অনুপ্রবেশ করে নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে, সে বিষয়ে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।

খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. মাহবুবুর রহমান জানান, ক্যাম্পাসে কিছুটা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হলেও প্রক্টরিয়াল টিম যাওয়ার পর তা নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে ক্যাম্পাসের পরিবেশ শান্ত রয়েছে।

সংঘর্ষের পর ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান দুটি ফটকসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের ইনচার্জ জুলফিকার আলী জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ভবিষ্যতে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ক্যাম্পাসে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এনএনবাংলা/