সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

দাবি না মানলে চূড়ান্ত আন্দোলনের হুঁশিয়ারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের

 

২০ শতাংশ বাড়ি ভাতা বৃদ্ধি সহ তিন দফা দাবি আদায়ে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে চূড়ান্ত আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা। তারা জানিয়েছেন, আগামী রোববারের মধ্যে দাবি না মানলে ‘যমুনা ঘেরাও’ কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবেন।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) বিকেলে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিক্ষোভ মিছিল ও অনশন কর্মসূচি শেষে এই ঘোষণা দেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন আজিজী।

বিকাল ৩টার পর থেকে শিক্ষক-কর্মচারীরা শহীদ মিনারে জড়ো হয়ে অবস্থান ও অনশন শুরু করেন। বৃষ্টির মধ্যেও তারা স্লোগান দিচ্ছিলেন, কেউ বক্তব্য রাখছিলেন।

খুলনা থেকে আসা শিক্ষক আসমা আক্তার বলেন, ‘আমরা যুগের পর যুগ ধরে মাত্র এক হাজার টাকা বাড়ি ভাতা পাচ্ছি। এখন সরকার ২ হাজার টাকায় সম্মত হলেও এই টাকায় কি কোনো বাসা ভাড়া পাওয়া সম্ভব?’

নড়াইল থেকে আসা শিক্ষক রবিউল আলম জানান, ‘আমরা সকাল থেকেই শহীদ মিনারে অবস্থান করছি। কেউ কেউ গ্রামে ফিরে যাচ্ছেন, আবার নতুন শিক্ষক আসছেন। এভাবে টানা ছয় দিন ধরে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি।’

গত ছয় দিন ধরে শিক্ষকরা রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, শিক্ষা অফিস ও শাহবাগ এলাকায় ধারাবাহিক আন্দোলন করছেন। তবে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো সাড়া মেলেনি বলে জানান তারা।

আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষকরা আরও বলেন, সরকারের অন্যান্য পেশার কর্মচারীরা যে হারে বাড়ি ভাতা পাচ্ছেন, শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এখনো পুরোনো বেতন স্কেল অনুসরণ করা হচ্ছে। ফলে গ্রাম বা শহর—কোথাও ভাড়ার বাসায় থাকা সম্ভব হচ্ছে না।

তাদের দাবি, বাড়ি ভাতা ২০ শতাংশ বৃদ্ধি, বেতন বৈষম্য দূরীকরণসহ তিন দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

এনএনবাংলা/