সাম্প্রতিক
এআইইউবি’র ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. হাসানুল এ. হাসান, ভাইস চেয়ারম্যান ইশতিয়াক আবেদীন ডেঙ্গুতে বাড়ছে মৃত্যু, সেপ্টেম্বরের ১৩ দিনেই ৬০ প্রাণহানি যুক্তরাজ্য ভেঙে দিতে চায় তিন দেশ, ফার্স্ট মিনিস্টারদের চুক্তি বিদ্যুতে লুটপাট: ১৭ বছরে পরিশোধ ২,৮৯,৯৪৯ কোটি টাকার ক্যাপাসিটি চার্জ! ডাকসুতে জিন্নাহ’র ছবি প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে: ঢাবি কর্তৃপক্ষ ঢাকা দক্ষিণে সাদিক কায়েম, উত্তরে সেলিম উদ্দিনকে মেয়র প্রার্থী করল জামায়াত ব্যাংকে কোটি টাকার হিসাব ছাড়াল ১ লাখ ৪১ হাজার হরমুজ বন্ধের খবরে তেলের দাম বাড়ছে হু হু করে ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুন, আতঙ্কে পদদলিত হয়ে শিশুসহ নিহত ৬ টানাপোড়েনের মধ্যেও বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে চায় ভারত
Skip to content

নিখোঁজের নয়দিন পর মিলল ঢাবি শিক্ষার্থীর লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

গত ১৫ মে থেকে নিখোঁজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমানের লাশ মিলেছে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের পেছনে । নিখোঁজের নয়দিন পর রোববার (২৩ মে) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে লাশ শনাক্ত করেছে তার পরিবার ও স্বজনরা।

জানা যায়, যারা লাশ নিয়ে এসেছিল তারা বলছে শহীদ মিনারের সামনে হাফিজুরকে পড়ে থাকতে দেখে সেখানের লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে এলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন এবং ঢাকা মেডিকেলের মর্গে লাশটি অজ্ঞাতনামা হিসেবে রাখা হয়।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক একেএম গোলাম রব্বানী বলেন, আমাদের নিখোঁজ শিক্ষার্থী হাফিজের লাশ ঢামেক হাসপাতাল মর্গে পাওয়া গেছে। লাশটি তার বড় ভাই ও বন্ধুরা শনাক্ত করেছেন। এ ঘটনায় আমরা খুবই মর্মাহত।

শাহবাগ থানার এসআই রইস উদ্দীন গণমাধ্যমকে বলেন, তিনি লাশ মর্গে পাওয়া গেছে বলে শুনেছেন।

হাফিজুর ঢাবির তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০১৫-১৬ সেশনের শিক্ষার্থী। তিনি একজন মূকাভিনয় শিল্পী ও ঢাবির মাইম অ্যাকশনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

শাহবাগ খানার ওসি (তদন্ত) আরিফুল ইসলাম সংবাদমাধ্যমকে বলেন, কয়েকদিন আগে আমরা একটি লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ গেটের সামনে পাই। পরিচয় জানতে না পেরে লাশটি আমরা মর্গে রাখি। তারপর হাফিজের বড় ভাই লাশটি শনাক্ত করেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, এটি আত্মহত্যা হতে পারে। বিষয়টি আমরা তদন্ত করে নিশ্চিত হতে পারব, তদন্তের কাজ শুরু করেছি।

কার্জন হল থেকে রাত ৮টায় মায়ের সাথে সবশেষ ফোনালাপের পর থেকে বিগত ৮ দিন ধরে সে নিখোঁজ ছিলেন হাফিজুর। নিখোঁজের ঘটনায় তার মা সামছুন নাহার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানায় এ বিষয়ে জিডি করেছিলেন। শাহবাগ থানাকেও অবহিত করা হয়েছিল।