ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদের ৫৩টি ব্যাংক হিসাবের ৬৫ লাখ ৫০ হাজার ২৪৬ টাকা আদালতের আদেশে ফ্রিজ (অবরুদ্ধ) করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ বুধবার (৭ জানুয়ারি) সিআইডির আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন। আদালতের সহকারী রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির উপ-পরিদর্শক আব্দুল লতিফ জানান, ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব বিশ্লেষণে সন্দেহজনক লেনদেন পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, ফয়সাল ও তার সহযোগীরা খুন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড এবং সংঘবদ্ধ অপরাধে অর্থ জোগানে জড়িত, যা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ অনুযায়ী অপরাধ। আদালত এই হিসাবগুলো রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা প্রয়োজন বলে নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিকে, হাদি হত্যা মামলায় ফয়সাল করিম মাসুদ, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পিসহ ১৭ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে গোয়েন্দা পুলিশ।
গ্রেপ্তার থাকা ১১ জনের মধ্যে রয়েছেন: ফয়সালের বাবা মো. হুমায়ুন কবির, মা মোসা. হাসি বেগম, স্ত্রী সাহেদা পারভীন সামিয়া, বান্ধবী মারিয়া আক্তার লিমা, শ্যালক ওয়াহিদ আহমেদ শিপু, রেন্ট-এ-কার ব্যবসায়ী মুফতি মো. নুরুজ্জামান নোমানী (উজ্জ্বল), সহযোগী মো. কবির, ভারতে পালাতে সহায়তাকারী সিবিউন দিউ ও সঞ্জয় চিসিম, কাউন্সিলর বাপ্পির বোনের জামাই আমিনুল ইসলাম রাজু এবং সিপুর ঘনিষ্ঠ মো. ফয়সাল।
অপরদিকে, পলাতক রয়েছেন: তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি, ফয়সাল করিম মাসুদ, মোটরসাইকেল চালক আলমগীর, ভারতে পাচারের সহায়তাকারী ফিলিপ, ফয়সালের বোন জেসমিন ও তার স্বামী মুফতি মাহমুদ।
এনএনবাংলা/


আরও পড়ুন
২০০৯ সালের পর জন্মগ্রহণকারীদের ধূমপান নিষিদ্ধ, আইন করছে যুক্তরাজ্য
তিন বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ, আরও বহু ঝুঁকিতে: বিজিএমইএ
মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ