সাম্প্রতিক
তিতাসের ‘সিস্টেম লস’ বছরে ১০ কার্গো এলএনজির সমপরিমাণ গ্যাস হাম ও উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, প্রাণহানি ছাড়াল ১ হাজার জুলাই জাদুঘরে অশ্রুসজল রাষ্ট্রপতি, বললেন ‘মূল্য দিয়েছি অনেক বেশি’ সালমান শাহর মৃত্যু: ডনের বিরুদ্ধে ‘গুরুত্বপূর্ণ তথ্য’ গোপনের অভিযোগ ইতালীয় গণমাধ্যমে বাঁধনের ওপর হামলার খবর, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ‘দিগোস’ মেট্রোরেলের ২৭ বিয়ারিং প্যাড ‘ক্রিটিক্যাল’, ৪৬ পিলারে ফাটল: সংসদে মন্ত্রী আশির দশকে ফিরছে সোশ্যাল মিডিয়া, এআই ছবির ট্রেন্ডে নেটিজেনরা বিএনপি ক্ষমতায় আর বিদ্যুৎ-গ্যাসের সংকট হবে না, দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হবে না— সেটা হতে পারে না: রুমিন ফারহানা ডিসেম্বরে হাসিনার দেশে ফেরা নিয়ে যা বললেন হর্ষবর্ধন শ্রিংলা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তৈরি শ্বেতপত্রের আলোকেই পদক্ষেপ গ্রহণ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
Skip to content

ফাঁস হওয়া প্রশ্নে ৭ কলেজে অনার্স পরীক্ষা, গঠন করা হলো তদন্ত কমিটি

 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সরকারি ৭ কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ফাইনাল পরীক্ষা প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে নতুন তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত রাজধানীর সাত কলেজে একযোগে অনুষ্ঠিত হয় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের “আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থায়নের মূলনীতি” (কোর্স নম্বর-২০৮) বিষয়ের ফাইনাল পরীক্ষা। তবে পরীক্ষার আগেই প্রশ্নপত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন অনলাইন গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ার কারণে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠে। পরে পরীক্ষার হলে একই প্রশ্ন আসায় ফাঁসের বিষয়টি প্রমাণিত হয়।

শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, প্রশ্নপত্র ফাঁসের তথ্য পরীক্ষার কমপক্ষে দু’দিন আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল। এই অবস্থায় পরীক্ষা স্থগিত এবং দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করার দাবি জানানো হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সাত কলেজের অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন কার্যকর কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি।

এর আগে সাত কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে অনার্স থেকে মাস্টার্স পর্যায় পর্যন্ত একাধিকবার প্রশ্নপত্র অর্থের বিনিময়ে ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক হিমাদ্রি শেখর চক্রবর্তী বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কখনো এ ধরনের অনিয়মকে সমর্থন করে না। বিষয়টি সামনে আসায় সাত কলেজ প্রশাসককে অবগত করা হয়েছে। প্রয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয় সহযোগিতা করবে।”

সাত কলেজের অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসক অধ্যাপক একেএম ইলিয়াস বলেন, “পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্ব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। তাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার এখতিয়ার তাদের। তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন পাওয়া যাবে। এরপর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এনএনবাংলা/