দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ আগামী সেপ্টেম্বরে ঢাকায় আয়োজনের পরিকল্পনা করছে আয়োজকরা। সর্বশেষ ২০২৩ সালে ভারতের ব্যাঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত হওয়া এই টুর্নামেন্টটি ২০২৫ সালের এপ্রিলে নানা কারণে স্থগিত করা হয়েছিল। নির্ধারিত আয়োজক শ্রীলঙ্কাও পরে সরে দাঁড়ালে নতুন করে ভেন্যু হিসেবে উঠে আসে বাংলাদেশের নাম।
সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত দুটি ভেন্যুতে টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হতে পারে। এ বিষয়ে ঢাকা স্টেডিয়ামের পাশাপাশি বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গেও আলোচনা চলছে।
এবারের আসরে আধুনিক প্রযুক্তির ছোঁয়া হিসেবে ভিডিও অ্যাসিসট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। রেফারির সিদ্ধান্ত আরও নিখুঁত করতে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে আলোচনা চলছে বলে জানিয়েছেন সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কাটেল।
বাংলাদেশে এর আগে তিনবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০০৩ সালে প্রথমবার আয়োজনেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল লাল-সবুজের দল। ২০০৯ সালে সেমিফাইনাল পর্যন্ত গেলেও, সর্বশেষ ২০১৮ সালের আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল বাংলাদেশকে।
বর্তমানে হামজা চৌধুরী ও শমিত সোমদের মতো ফুটবলারদের ঘিরে দেশে যে নতুন করে ফুটবল উন্মাদনা তৈরি হয়েছে, সেটিকে কাজে লাগাতে চায় সাফ কর্তৃপক্ষ। পুরুষোত্তম কাটেল বলেন, বাংলাদেশের ফুটবলে এখন নতুন জোয়ার চলছে এবং সেই প্রেক্ষাপটে বাফুফের সঙ্গে সমন্বয় করে আয়োজনের প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে স্পন্সরশিপ, বিপণন এবং নির্বাহী কমিটির আনুষ্ঠানিক অনুমোদন এখনও বাকি রয়েছে।
এদিকে, ২০২৬ সালের সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ভারতের গোয়ায় ২৫ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। তবে ভেন্যু ভারতে হওয়ায় এই টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে না পাকিস্তান। ফলে ছয়টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে এবারের নারী সাফ, এবং চলতি মাসের শেষ দিকে ড্র অনুষ্ঠিত হবে।
এনএনবাংলা/


আরও পড়ুন
২০০৯ সালের পর জন্মগ্রহণকারীদের ধূমপান নিষিদ্ধ, আইন করছে যুক্তরাজ্য
তিন বছরে ৪০০ পোশাক কারখানা বন্ধ, আরও বহু ঝুঁকিতে: বিজিএমইএ
মাথাপিছু আয়ে ভারতকে ছাড়িয়ে যেতে পারে বাংলাদেশ: আইএমএফ