সাম্প্রতিক
জাসদ কার্যালয়ে গোপন বৈঠক, আ. লীগ সন্দেহে আটক শতাধিক আন্দোলন উত্তাল চুয়েট, নতুন ভিসিকে ‘রেড কার্ড’ দেখালেন শিক্ষার্থীরা ধানমন্ডিতে নিষিদ্ধ আ. লীগের মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ, আটক ৩ নেপালে ভয়াবহ বন্যার এক মাস: নিহত ১,৪৫৩, এখনো নিখোঁজ প্রায় ৬ হাজার ডেঙ্গুতে বেড়েই চলছে মৃত্যু, একদিনে ৮ প্রাণহানি বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা: ‘যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে চুক্তি সই’ এমি অ্যাওয়ার্ডসে মনোনয়ন পেল আল-জাজিরার ‘হাসিনা: ৩৬ ডেইজ ইন জুলাই’ রিসোর্ট ভাড়া নিয়ে ডিজে পার্টি, আড়ালে মাদক বিক্রি, গ্রেপ্তার ৪ হরমুজ খুলতে ইরানের ৭ দিনের রোডম্যাপ, সরাসরি ‘না’ ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রে প্রধানমন্ত্রীর পাঁচ দিনের সফরে কী কী হলো?
Skip to content

সম্পত্তি বিরোধে মুন্সীগঞ্জে চাচাকে হত্যা, ৫ বছর পর যুক্তরাষ্ট্রে ভাতিজার কারাদণ্ড

বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জে সম্পত্তি বিরোধের জেরে চাচাকে হত্যার দায়ে যুক্তরাষ্ট্রে ভাতিজাকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন বিচার বিভাগের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দণ্ডপ্রাপ্ত গ্যানেট রোজারিও (৫৪) হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করেছিলেন। নিহত ব্যক্তি তার চাচা মাইকেল রোজারিও—উভয়েই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক।

আদালতের নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের জুনে মুন্সীগঞ্জে পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।

১১ জুন সন্ধ্যায় গ্যানেট রোজারিও তার চাচার শোয়ার ঘরের জানালার কাছে দাঁড়িয়ে ধূমপান করছিলেন। এ সময় ঘরের ভেতর থেকে নিজের সম্পর্কে আপত্তিকর মন্তব্য শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন তিনি।

পরবর্তীতে ঘর থেকে একটি শটগান এনে জানালার বাইরে দাঁড়িয়ে চাচাকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। গুলিটি মাইকেল রোজারিওর পেটে লাগে এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। গুলি করার আগে তিনি বলেন, “তুমি কালকের সূর্য আর দেখবে না।”

ঘটনার প্রায় দুই বছর পর, ২০২৩ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান গ্যানেট। ২০২৪ সালের এপ্রিলে তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ গঠন করা হয়।

মামলাটি পরিচালনা করে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের ক্রিমিনাল ডিভিশন। অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাটর্নি জেনারেল এ. টাইসেন ডুভা এবং নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্টের মার্কিন অ্যাটর্নি জয় ক্লেটন এই সাজার ঘোষণা দেন।

এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)-এর লস অ্যাঞ্জেলেস ও নিউইয়র্ক ফিল্ড অফিস কাজ করেছে।

এছাড়া ঢাকায় অবস্থানরত এফবিআই লিগ্যাল অ্যাটাশে এবং বিচার বিভাগের আন্তর্জাতিকবিষয়ক দপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তদন্তে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছে মার্কিন বিচার বিভাগ।

এনএনবাংলা/