Skip to content

স্টারমার পদত্যাগ করলে কে হবেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী?

অ্যান্ডি বার্নহ্যাম (বাঁ থেকে), অ্যাঞ্জেলা রেনার ও ওয়েস স্ট্রিটিং। ছবি: এএফপি

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার নিজ দলের ভেতর থেকে ওঠা পদত্যাগের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন। একই সঙ্গে তিনি বিরোধীদের জানিয়েছেন, চাইলে দলীয় নিয়ম মেনে আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারেন।

লেবার পার্টির বিধি অনুযায়ী, নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জ শুরু করতে হলে দলের অন্তত এক-পঞ্চমাংশ এমপির—অর্থাৎ ৮১ জনের সমর্থন প্রয়োজন। এক বা একাধিক প্রার্থী এই সমর্থন জোগাড় করতে পারলে স্টারমারের বিরুদ্ধে ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

ইতোমধ্যে প্রায় ১০০ জন এমপি প্রকাশ্যে স্টারমারের পদত্যাগ দাবি করেছেন। তবে এখনো কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের উদ্যোগ নেননি। বিশ্লেষকদের মতে, ৮১ জন এমপির স্বাক্ষর সংগ্রহ করতে পারবেন—এমন নেতার সংখ্যা খুব সীমিত।

এরপরও সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন তিন নেতা—ওয়েস স্ট্রিটিং, অ্যান্ডি বার্নহ্যাম এবং অ্যাঞ্জেলা রেনার।

দলের ভেতরে বর্তমানে দুটি ধারা স্পষ্ট। যারা দ্রুত নেতৃত্ব পরিবর্তন চান, তারা স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিংয়ের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অন্যদিকে, ধীরে ও সুশৃঙ্খল ক্ষমতা হস্তান্তরের পক্ষে থাকা নেতারা গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে সমর্থন করছেন। পাশাপাশি তরুণ ভোটারদের মধ্যে জনপ্রিয়তার কারণে অ্যাঞ্জেলা রেনারও শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে আসছেন।

ওয়েস স্ট্রিটিং লেবার পার্টির ডানপন্থী ঘরানার নেতা হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে, অ্যান্ডি বার্নহ্যাম বিভিন্ন জনমত জরিপে যুক্তরাজ্যের অন্যতম জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তিনি ‘ম্যানচেস্টারিজম’ ধারণার প্রবক্তা, যেখানে ব্যবসাবান্ধব নীতি ও সমাজতান্ত্রিক ভাবনার সমন্বয় রয়েছে।

অ্যাঞ্জেলা রেনারের স্পষ্টভাষী ও সংগ্রামী ব্যক্তিত্ব তরুণ ভোটারদের আকৃষ্ট করেছে। ম্যানচেস্টারের শহরতলিতে দারিদ্র্যের মধ্যে বেড়ে ওঠা রেনার মাত্র ১৬ বছর বয়সে মা হন। পরবর্তীতে ট্রেড ইউনিয়নের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন এবং দ্রুতই দলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে ওঠেন।

এনএনবাংলা/